‘গণহত্যা দিবস ঘোষণার প্রস্তাব আগামী অধিবেশনেই’

নিউজ ডেস্ক : নৌমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলনের আহ্বায়ক শাজাহান খান বলেছেন, ২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস ঘোষণাসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব জাতীয় সংসদে উত্থাপনের পথে রয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় স্বাধীনতা হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। শাজাহান খান বলেন, ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে ঘোষণার দাবিতে আমাদের (আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন) তত্ত্বাবধানে সংসদের আগামী অধিবেশনেই একটি প্রস্তাব উত্থাপনের প্রক্রিয়া সম্পন্নের পথে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার নির্দেশে পেট্রলবোমা মেরে মানুষ হত্যা করাকে কোনো অর্থেই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বলা যায় না। তাদের আন্দোলনে গণতন্ত্রের কোনো চিহ্ন ছিল না। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া রাজনীতি বা আন্দোলন হয় না। এই সব কর্মকাণ্ড দেশের আইনে পরিষ্কার ভাবে অপরাধ বলে বিবেচ্য। বিএনপি-জামায়াত জোট হরতাল-অবরোধের নামে যে ভাবে মানুষ হত্যা করছে তাতে তারা খুনের দায় কিছুতেই এড়াতে পারে না। তাদের এই নৃশংসতা গণহত্যারই শামিল। আমরা এই সব হত্যা-সন্ত্রাস-অগ্নিসংযোগের বিচার দাবি করছি।

সংবাদ সম্মেলনে ২১ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ২২ নভেম্বর বিকেল ৩টায় ২৫ নম্বর আগা সাদেক রোডে সিটি কলোনীতে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ মিনারে মুক্তিযুদ্ধে হরিজন সম্প্রদায়ের শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা, ২৬ নভেম্বর শনিবার সকাল ১১টায় আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলন এর তথ্য অনুসন্ধান কমিটির তথ্য প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলন। আগামী ১৪ ডিসেম্বর বুধবার বিকেল ৩টায় শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের উদ্যোগে বুদ্ধিজীবী দিবসের আলোচনা ও প্রতিনিধি সভা। ১৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা।

আগামী ২১ ডিসেম্বর বুধবার বিকেল ৩টায় ২০১৩-১৪-১৫ সালে বিএনপি-জামায়াত মদদপুষ্ট জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের গণহত্যা ও পাকিস্তানি ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মতিঝিল সোনালী ব্যাংক চত্বরে সমাবেশ এবং মতিঝিল থেকে প্রেসক্লাব পর্যন্ত র‌্যালি। চলতি মাসের শেষ থেকে শুরু হবে গণযাত্রা শিরোনামে ৮টি বিভাগীয় শহরে পর্যায়ক্রমে সমাবেশ। রাজধানীসহ শহরগুলোতে পাড়া মহল্লায় অনুষ্ঠিত হবে পথসভা, জনসভা, জ্বালাও-পোড়াও ভিডিও প্রদর্শনী। সারা দেশে অনুষ্ঠিত হবে সচেতনতামূলক ও প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

Print Friendly, PDF & Email
basic-bank

Be the first to comment on "‘গণহত্যা দিবস ঘোষণার প্রস্তাব আগামী অধিবেশনেই’"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*