তনুর ডিএনএ প্রতিবেদন হস্তান্তর

নিউজ ডেস্ক : কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনুর ডিএনএ প্রতিবেদন দ্বিতীয় ময়নাতদন্তকারী মেডিকেল বোর্ডের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে৷ কুমিল্লা সিআইডির এএসআই মোশরফ হোসেন ও কনস্টেবল হারুন সিআইডির পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (৭ জুন) দুপুর সোয়া ১২টায় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ও তনুর দ্বিতীয় ময়নাতদন্তকারী মেডিকেল বোর্ডের প্রধান ডা. কামুদা প্রসাদ সাহার কাছে প্রতিবেদনটি জমা দেন। এর আগে সোমবার রাতে সিআইডি ঢাকার ফরেনসিক বিভাগ থেকে ডিএনএ প্রতিবেদন কুমিল্লা সিআইডি অফিসে এসে পৌঁছায়। সিআইডি সূত্র জানায়, আদালতের নির্দেশের পর তনুর ডিএনএ প্রতিবেদনটি দিতে সিআইডি তৎপরতা শুরু করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার প্রতিবেদনটি ময়নাতদন্তকারী বোর্ড প্রধানকে দেওয়া হয়।

এর আগে রবিবার বিকেলে কুমিল্লার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জয়নাব বেগম ডিএনএর পুরো প্রতিবেদনটি দ্বিতীয় ময়নাতদন্তকারী মেডিকেল বোর্ডকে দেয়ার জন্য সিআইডিকে আদেশ দেন। আদালতের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতেই সিআইডি ডিএনএ প্রতিবেদনটি মেডিকেল বোর্ডকে হস্তান্তর করে৷

এদিকে, আগামী ১২ জুন তনুর দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামদা প্রসাদ সাহা বলেন, খুব সম্ভবত আগামী ১২ জুন দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে।

গত ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি জঙ্গল থেকে তনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন দুপুরে কুমেক হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. শারমিন সুলতানা তনুর ময়নাতদন্ত করেন। গত ৪ এপ্রিল প্রকাশ করা এ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে তনুর মৃত্যুর কারণ বা ধর্ষণের আলামত উল্লেখ ছিল না। প্রথম ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার আগেই গত ২৮ মার্চ পুলিশ কবর থেকে তনুর লাশ তুলে পুনরায় ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে আবেদন করে। আদালতের নির্দেশে লাশ দাফনের ৯ দিন পর ৩০ মার্চ কবর থেকে তনুর লাশ তোলা হয়। তনু হত্যার ঘটনায় ২১ মার্চ মামলা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে শনাক্ত করা যায়নি।

Print Friendly, PDF & Email
basic-bank

Be the first to comment on "তনুর ডিএনএ প্রতিবেদন হস্তান্তর"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*