দেশীয় বিয়ে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি!

নিউজ ডেস্ক : বিয়ের ছবি তুলে এশিয়ার শীর্ষ তিন ওয়েডিং ফটোগ্রাফারের মধ্যে জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশি তরুণ যোবায়ের হোসেন শুভ। সম্প্রতি মালয়শিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হলো ওয়েডিং ফটোগ্রাফির উপর এশিয়ার সবচাইতে বড় সম্মেলন এবং আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা। ওয়েডিং অ্যান্ড পোট্রেইট ফটোগ্রাফারস অফ এশিয়া (ডব্লিউপিপিএ)- এর আয়োজনে এই সম্মেলনের পঞ্চম আসরে অংশগ্রহণ করেন সিঙ্গাপুর, চীন, মালয়শিয়া, তাইওয়ান, ফিলিপিন, কম্বোডিয়া, ভারত ও বাংলাদেশের শতাধিক আলোকচিত্রী। বাংলাদেশ থেকে এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ওয়েডিং প্ল্যানার প্রতিষ্ঠান ড্রিমওয়েভার-এর কর্ণধার ও প্রধান আলোকচিত্রী যোবায়ের হোসেন শুভ, নাফিস ফুয়াদ শুভ ,মাজহারুল ইসলাম রাফি এবং সাফায়েত উল্লাহ মাহিদ, ওয়েডিং ইঙ্ক- এর কর্ণধার রিফাত শাখাওয়াত হোসেন, কে.নাসিফ ফটোগ্রাফির নাসিফ, রংপুর থেকে মোমেনটো ওয়েডিংয়ের রাশিদুল বারি জিম। সর্বমোট ১২ টি ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।’
যোবায়ের শুভ ৮টি ক্যাটাগরিতে অংশ নিয়ে ৬টিতেই জিতে নেন পুরস্কার। আর এই অর্জন তাকে এনে দেয় শীর্ষ তিন এর স্থান। প্রতিটি ছবিতে তার গড় নম্বর ছিল নব্বই এর অধিক। সর্বমোট নম্বরের ভিত্তিতে প্রথম পুরস্কার পান চীনের লেনো উই।

যোবায়ের শুভ বলেন, “প্রতিবার নিজেদের নামের সঙ্গে যখন দেশের নাম উচ্চারিত হচ্ছিল ততবারই আবেগপ্রবণ হয়ে যাচ্ছিলাম। যখন শীর্ষ তিন এ নিজের নামটা শুনলাম তখন অশ্রুসিক্ত হয়েই পুরস্কার গ্রহণ করলাম।”

নাফিস ফুয়াদ শুভ গড় নাম্বারের ভিত্তিতে এশিয়ার শীর্ষ দশ আলোকচিত্রীর তালিকায় স্থান করে নেন। তিনি জানান, এ বছর প্রায় পাঁচ শতাধিক ছবি জমা পড়ে। প্রাথমিক বাছাই পর্ব শেষে দেড়শ ছবি বিচারকদের লাইভ জাজমেন্টের জন্য আনা হয়। পাঁচ জন বিচারকের পৃথক নাম্বারের ভিত্তিতে স্থান নির্ধারণ করা হয়।

বিচারকদের মধ্যে ছিলেন সিঙ্গাপুরের মাস্টার ফটোগ্রাফার ম্যাথিউ টান, এশিয়ার একমাত্র ডাবল মারস্টারস ও ফুজিফিল্ম ব্রান্ড অ্যাম্বাসেডর ফিলিপাইনের লিতো সি, ডিজিটাল ক্যামেরা ম্যাগাজিনের এডিটর ইন চিফ আর্থার চ্যান, মালয়শিয়ার বিখ্যাত মাস্টার ফটোগ্রাফার রজার টান ও আলভিন লিওং। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনের স্পন্সর ছিল লেন্স নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ট্যামরন এবং প্রফেসনাল ফটো এক্সেসরিস নিরমাতা প্রতিষ্ঠান ফটিক্স।

Print Friendly, PDF & Email
basic-bank

Be the first to comment on "দেশীয় বিয়ে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি!"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*