নিউজ ডেস্ক : নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের ধুড়িয়া গ্রামের মনোয়ার হোসেন মান্নু হত্যা মামলার রায় হয়েছে বৃহস্পতিবার। মামলার সব আসামীরা বেকসুর খালাস পেয়েছে।
বিজ্ঞ বিচারক মামলার বাদী ও সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে আণীত অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় মামলার সব আসামীদের বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
তাহলে মামলার ত্রুটি কোথায় ছিল? কেউ জানেন কি?
মনোয়ার হোসেন মান্নুকে সম্ভবত ২০০৫ সালের ২৬ আগষ্ট সন্ধ্যরাতে জঙ্গলগ্রাম থেকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে আহত করার পর হাসপাতালে চিকিৎসকালে মারা যায়।
এঘটনায় নিহতের ভাই আবুল কালাম আজাদ বাদী হয়ে ধুড়িয়া, আমবাড়িয়া, জঙ্গলগ্রামসহ আশেপাশের কয়েকগ্রামের প্রতিপক্ষরা আসামী হন। তবে আসামীর সংখ্যা এই মুহুর্ মনে নেই।
যতদূূর জানাগেছে, মামলাটি কয়েক বছর আগে মোটা অংকের টাকায় মিমাংসা হয়। কিন্তু আদালত থেকে হত্যা মামলা প্রত্যাহারের সুযোগ না থাকায় বাদী ও সাক্ষীদের মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে মামলাটি দুবল করা হয়।
যার ভিত্তিতে বিচারক আসামীমের বেকসুর খালাস দিয়েছেন।
গ্রাম্য দলাদলির জের ধরে প্রতিভাবান ও এলাকার সমধিক জনপ্রিয় যুব নেতা মনোয়য়ার হোসেন মা্ন্নু খুন হলেন। স্ত্রী বিধবা হলেন, ছয় মাসের কন্যা সন্তান বাবার আদর কি তা পেলেন না। বাবা বলেও কোনদিন ডাকতে পারলেন না।
মান্নুর মৃত্যুর সময় তার মেয়ের বয়সস ছিল ৭ মাস ৪দিন। এখন তার বয়স ১১ ববছর। মোহনা না পেল বাবার আদর, না পেল পিতা হত্যার বিচার, না পেল অন্যান্য সুযোগ সুবিধা।
মাঝখান দিয়ে মামলার বাদী কয়েক লক্ষ টাকার মালিক হলেন। এই হলো আমাদের সমাজ ব্যবস্থা।

Be the first to comment on "নড়াইলের ধুড়িয়ায় মান্নু হত্যা মামলার সব আসামী খালাস!"