নিউজ ডেস্ক : ফিফটির কাছে গিয়ে আউট তিন ব্যাটসম্যান! এই তিনের যে কোনো একটিও সেঞ্চুরি হলে চিত্রটা হতো ভিন্ন! তা হতে দিচ্ছেন না ইংলিশ বোলাররা। বিশেষ করে লেগ স্পিনার আদিল রশিদ। নিয়মিত উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশকে বিপদে ঠেলে দিয়েছেন তিনি। চট্টগ্রামে ফাইনাল হয়ে ওঠা সিরিজের শেষ ম্যাচে কঠিন পরিস্থিতিতে স্বাগতিকরা। এই রিপোর্ট লেখার সময় ৩৯ ওভারে ৬ উইকেটে রান ১৯৬। মুশফিক রহিম ২৫ ও মোসাদ্দেক হোসেন ১ রানে লড়ছেন। দেখতে না দেখতে ৩ ব্যাটসম্যান ফিরে গেছেন।
ইমরুল কায়েস ৫৮ বলে ৪৬, তামিম ইকবাল ৬৮ বলে ৪৫ ও সাব্বির রহমান ৪৬। এই তিনের দুইজন লেগ স্পিনার আদিল রশিদের শিকার। ইমরুল ও তামিম ৮০ রানের জুটি গড়লেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজেদেরই গড়া ৬ বছর আগের ৬৩ রানের রেকর্ড জুটির রেকর্ড ভেঙেছেন। কিন্তু ৮০ রানের দারুণ উদ্বোধনী জুটির পরই পথ হারাতে শুরু করে বাংলাদেশ।
এই ম্যাচ জিতলে সিরিজ জয়। দুই দলই তাই মরীয়া। বাংলাদেশের কাছে সিরিজ হারতে চায় না ইংল্যান্ড। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে মেঘলা আবহাওয়ার সুবিধা তারা নিতে পারেননি তামিম-ইমরুলের দৃঢ়তায়। ইমরুলকে বেন স্টোকস শিকার করলেন। ৫৮ বলে ৪৬ এ বিদায় ইমরুলের। ধাক্কার শুরু ওখানেই।
রশিদ ২৩তম ওভারে আক্রমণে এসে পর পর দুই ওভারে তুলে নিলেন তামিম ও মাহমুদ উল্লাহকে। প্রথম বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান হিসেবে ৫,০০০ রানের মাইলফলক পেরিয়ে রশিদের গুগলিতে প্রাণ দিয়েছেন তামিম। তার ৪৫ রানের ইনিংসটি ৬৮ বলের। আর গত ম্যাচে ম্যাচ জেতানো ৭৫ রানের ইনিংস খেলা মাহমুদ উল্লাহ রশিদকে ছক্কা মারার পরের বলেই আউট। রান ৬।
১২২ রানে ৩ উইকেট নেই। তবে সাব্বির রহমান শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলেছেন। দুই ইনিংস পরই আরেকটি ফিফটির দিকে হাটলেন। কিন্তু তাকেও শিকার করে ক্যারিয়ারের ৫০ম উইকেটটি পেলেন রশিদ। ৪৬ বলে ৪৯ রান সাব্বিরের। ৫টি চার। মুশফিকের সাথে চতুর্থ উইকেটে ৫৪ রান করে চাপ সামলেছিলেন।
স্পিনেই সর্বনাশটা হতে তাকে। মঈন আলি তুলে নেন সাকিব আল হাসানকে (৪)। রশিদ তার চতুর্থ শিকার বানান নাসির হোসেনকে (৪)। দারুণ দরকারের সময় ১৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ছটফট করতে থাকে টাইগাররা।

Be the first to comment on "স্পিনে বিপর্যস্ত বাংলাদেশ দারুণ বিপদে"