শিরোনাম

লোহাগড়ায় জ্বালানি তেল মজুত রেখে কৃত্রিম সংকট, সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা

লোহাগড়ায় জ্বালানি তেল মজুত রেখে কৃত্রিম সংকট, সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা

নিউজ ডেস্ক ॥ তেলের পাচার, কালোবাজারি ও মজুদদারির অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষাপটে সরকার ফিলিং স্টেশনগুলোতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি সারাদেশে জেলা ও পুলিশ সুপারদের মনিটর করার নির্দেশনা এবং মজুদ ঠেকাতে তেলের ডিপোতে বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারের সংশ্লিষ্ঠ মন্ত্রালয়। সরকার চেষ্টা করছে চাহিদাকৃত তেলের সরবরাহ ঠিক রেখে বাজার স্বাভাবিক রাখতে। কিন্তু কোন পদক্ষেপই কাজে আসছেনা ফিলিং স্টেশন মালিক-কর্মচারীদের কারসাজির কারনে। সরেজমিনে লোহাগড়া ফিলিং স্টেশনে গিয়ে বাস-ট্রাক চালক এবং পাম্প সংশ্লিষ্ট লোক ও সাধারন মানুষজনদের সাথে কথা বলে জানা যায়, সঠিক মনিটরিং না থাকায় খুলনা ডিপো থেকে সরবরাহকৃত জ্বালানী তেলের একটি অংশ লোহাগড়ায় আসার সময়ে পথিমধ্যে অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে অধিক মূল্যে বিক্রি করা, পাম্পে বিতরনের সময়ে প্রয়োজনীয় জনবল না রেখে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি করে বিতরনে ধীরগতির মাধ্যমে মজুদ রেখে রাত গভির করা, মজুদকৃত তেল গভির রাতে অধিক মূল্যে স্থানীয় খুচরা বিক্রেতাদের কাছে হস্থান্তর করা, ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে কিছু জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় রাজনীতিক, পুলিশ প্রশাসন, গনমাধ্যমকর্মী ও তাদের সকল পর্ষায়ের আত্মীয় এবং পরিচিতজনদের চাহিত তেল দেওয়ার কারনে বাস, ট্রাক, সাধারন কৃষক, মৎস খামারি, খেটে খাওয়া দিন মজুর, নছিমন, করিমন, আলমসাধু, ট্রলি, টলারনৌকা, যাত্রী পরিবহনীয় মোটর সাইকেলসহ অসংখ্য চালকরা তেল না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। কাজ করতে না পেরে অনেকে পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জিবন-যাপন করছেন। লোহাগড়া ফিলিং স্টেশনে উপস্থিত প্রত্যেক্ষদর্শীরা জানান, রোববার (২৯ মার্চ) বিকাল ৫টার দিকে ৪ চেম্বার বিশিষ্ঠ ১৮ হাজার লিটার ধারন ক্ষমতার এক লড়ি জ্বালানী তেল খুলনা ডিপো থেকে লোহাগড়া ফিলিং স্টেশনে পৌঁছেছে। কিন্তু অদৃশ্য কারনে বিক্রি বন্ধ রেখে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ বিষয়ে পাম্পের মালিক সৈয়দ বোরহানউদ্দিন সকল প্রকার অনিয়ম অস্বীকার করলেও এক লড়ি জ্বালানী তেল মজুদের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, উপরের থেকে নির্দেশে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার (৩০মার্চ) সকালে বিক্রি করা হবে বলে পাস্পের সকল নিরাপত্তা বিদ্যুত লাইট বন্ধ করে দেন। সকাল পর্যন্ত পাম্পে তেল থাকবে কিনা শংশয়ে রয়েছে সাধারন মানুষ। তেল নিয়ে তেলবাজি বন্ধ করে প্রান্তিক কৃষকদের দোরগোড়ায় তেল পৌছে দিতে প্রশাসনের হস্থক্ষেপের প্রত্যাশা প্রান্তিক কৃষক ও ভূক্তভোগীদের।

basic-bank

Be the first to comment on "লোহাগড়ায় জ্বালানি তেল মজুত রেখে কৃত্রিম সংকট, সরকারকে বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*