নিউজ ডেস্ক: টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও বাজারে ব্রাঞ্চ খুলে ১শত জন গ্রাহকের কাছ হতে ৪৭ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ম্যাক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বারাকাতীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেছে মুন্সীগঞ্জ আদালত। মুন্সীগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট ১ এর বিচারক মোঃ জসিমউদ্দিন এর আদালত মঙ্গলবার বারকাতীর জামিন বাতিল করে ওয়ারেন্ট ইসুৎ করেন।
ওই মামলার বাদী পক্ষের উকিল কামরুজ্জামান মুকুল জানান, গত ১২ই জুলাই এই মামলাটি চার্জের জন্য ধার্য্য ছিলো। ওই দিন মামলার আসামী বারকাতী হাজির হয়ে মামলা হতে ডিসচার্জের আবেদন করলে আদালত তাকে বাদীর সাথে আপোষ হয়ে পূণরায় আদালতে হাজির হতে বলেন। কিন্তু মামলার আসামী শহিদুল ইসলাম বারাকাতী বাদীর সাথে যোগাযোগ না করে আদালত হতে পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি বাদী আদালতকে অবহিত করলে আদালত শহিদুল ইসলাম বারাকাতীকে ৭দিনের মধ্যে আপোষ মিমাংশার আদেশ দিয়ে পূণরায় আজ মঙ্গলবার তারিখ ধার্য্য করেন। কিন্তু আজ মঙ্গলবার ধার্য্য তারিখে আসামী বাদীর সাথে কোনরুপ আপোষ না করে হাজির হওয়ার জন্য সময় আবেদন করলে আদালত বারকাতীর জামিন বাতিল করে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী করেন।
এর আগে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার বালিগাওঁ বাজারের ম্যাক্সিম গ্রুপের ব্রাঞ্চটি ২০১৩ সালে গ্রাহকের কয়েক কোটি টাকা আতœসাৎ করে উধাও হয়ে যায়। এ ঘটনায় লৌহজং উপজেলার খলাপাড়া গ্রামের হালিমা আক্তার বাদী হয়ে ৯জনকে আসামীকরে গত ২৭ শে এপ্রিল ২০১৩ইং তারিখে ১ শত জন গ্রাহকের পক্ষে মুন্সীগঞ্জ আদালতে সি.আর মামলা নং ১১৬/১৩ দায়ের করলে দির্ঘদিন পলাতক থাকার পর গত ২৫শে এপ্রিল মুন্সীগঞ্জ আদালতে হাজির হলে আদালত শহিদুল ইসলাম বারাকাতীর জামিন না মঞ্জুর করে জেল-হাজতে প্রেরণ করেন। পরে সে এই মামলায় জামিনে গিয়ে হাজিরা দিয়ে আসছিলো। কিন্তু মঙ্গলাবার হাজিরা না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে এই গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করে আদালত।

Be the first to comment on "ম্যাক্সিম গ্রুপের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা"