শিরোনাম

আফ্রিকার জঙ্গলে বড় হয়েছে বাস্তবের এই ‘মোগলি’!

নিউজ ডেস্ক :  মোগলির সঙ্গে তার অনেক মিল। জাঙ্গল বুকের সেই দুরন্ত কিশোরের মতো টিপ্পিরও শৈশবও কেটেছে গহীন জঙ্গলে।

অরণ্যের পশুরাই ছিল তার রক্ষক আর খেলার সঙ্গী।
কিপলিংয়ের মোগলির সঙ্গে বেশ কিছু মিল রয়েছে নামিবিয়ায় শৈশব কাটানো ফরাসি তরুণী অভিযাত্রী টিপ্পি দেগ্রের। ফরাসি ওয়াইল্ডলাইফ ফোটোগ্রাফার বাবা-মা সিলভি রবার্ট ও অ্যালেইন দেগ্রের সন্তান টিপ্পির জন্ম ১৯৯০ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহোয়েকে। পেশার কারণে জঙ্গল থেকে জঙ্গলে ঘুরে বেড়াত টিপ্পির পরিবার। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবোয়ে আর বটসওয়ানার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে বণ্যপ্রাণীদের ছবি তুলে বেড়াতেন সিলভি ও অ্যালেইন। ছোট থেকে তাই অ্যাডভেঞ্চারের নেশায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠে মেয়ে টিপ্পিও।

বনের পশুরা ছিল তার পরিবারেরই সদস্য। খেলাধুলোতেও তারাই টিপ্পির পরম বন্ধু ছিল। পাঁচ টন ওজনের বিশাল হাতি যেন তার বড় দাদা। মিরক্যাট, উটপাখি, জেব্রা শাবক আর চিতারা ছিল তার খেলার সঙ্গী। আবার খেলাচ্ছলে জলা-জঙ্গলের গোদা কোলাব্যাঙদের যখন-তখন কোলে তুলে নিতেও ভয় পেত না টিপ্পি। ঠিক যেন কিপলিংয়ের মোগলি।

যে বয়সে বাচ্চারা সাইকেল চড়তে শেখে, টিপ্পি সেই বয়সে উটপাখির পিঠে সওয়ার হয়েছে। কখনও আবার ‘বড়দা’ হাতির শুঁড় জড়িয়ে ধরে তার পিঠে উঠে সেরেছে জাঙ্গল সাফারি।

ছোটবেলার সেই সমস্ত সোনালি দিন আর ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের স্মৃতি সে ভাগ করে নিয়েছে Tippi: My Book Of Africa Namibia 1996 বইয়ে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক পত্রিকার পাতাতেও ছাপা হয়েছে ছোট্ট টিপ্পির রুদ্ধশ্বাস অ্যাডভেঞ্চারের ছবি ও কাহিনী।

সূত্র: এই সময়

basic-bank

Be the first to comment on "আফ্রিকার জঙ্গলে বড় হয়েছে বাস্তবের এই ‘মোগলি’!"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*