শিরোনাম

দুর্গারূপে অর্ষা

নিউজ ডেস্ক : লাক্স তারকা নাজিয়া হক অর্ষা। নিয়মিতই কাজ করছেন নাটক-টেলিফিল্মে। মাঝেমাঝে তাকে দেখা যায় নানামাত্রিক মডেলিংয়েও। বৈচিত্রময় চরিত্রে অভিনয়ের জন্য আলাদা করে নিজের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কাজ করেছেন আরো একটি ব্যতিক্রমী চরিত্রে। এখানে তাকে দেখা যাবে ‘দশভূজা’ চরিত্রে। নাটকটি এটিএন বাংলায় আগামীকাল মঙ্গলবার দূর্গাপূজার মহাদশমীর রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে প্রচার হবে।

শৌর্য দীপ্ত সূর্যের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন শৌর্য দীপ্ত সূর্য ও সোলে রানা। নাটকটিতে আরো অভিনয় করেছেন সাব্বির আহমেদ, নরেশ ভুইয়া, বড়দা মিঠু, জেরি, তালিম, সুহৃদ জাহাঙ্গীর, আমিনুল ইসলাম তুহিন প্রমুখ।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, বৈকুন্ঠপুর গ্রামের হরিদাস পাল। আশপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মধ্যে তারাই একমাত্র কুমোর পরিবার। পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত জমিতে সে প্রতিমা বানায়। সেখানে একটি মন্দিরও আছে। প্রতিমা বানিয়েই তার সংসার চলে। হরিদাস পালের স্ত্রী অনেক আগেই মারা গেছে। একমাত্র মেয়ে দুর্গাকে নিয়েই হরিদাসের সংসার।

কালের বিবর্তনে হরিদাস পালের সম্পত্তির মূল্যবৃদ্ধি পেয়েছে বহুগুণ। এই জমির উপর কু-নজর পরে গ্রামের অর্থ প্রতিপত্তি ও প্রভাবশালী ব্যক্তি জনার্দন সিকদারের। তার একটি মাস্তান বাহিনী আছে যাদের কারণে বৈকুন্ঠপুরের মানুষজন অতিষ্ট। কিছুদিন আগে তারা কালীদাস রায়কে ভিটামাটি ছাড়া করে। কালীদাস রায়ের ছেলে রজত রায় আবার দুর্গাকে ভালবাসে। তারই টানে রজত রায় গ্রামে ফিরে আসে।

এদিকে জনার্দন সিকদার হরিদাস পালের জমিজমা দখল করার পাঁয়তারা হিসেবে একটি জাল দলিল তৈরি করে। সে হরিদাস পালকে আসন্ন পূজার আগেই জমিজমা ছেড়ে চলে যাবার নির্দেশ দেয়। একই সাথে তার দুর্গার দিকেও নজর পরে। সে দুর্গাকে বিয়ে করতে চায়।

কিন্তু হরিদাস পাল কিছুতেই ওই দুশ্চরিত্র লম্পট বহু বিবাহকারী জনার্দনের হাতে তার মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি হয় না। দুর্গাপুজার ৭ দিন আগে গ্রামের সেই মন্দিরে গ্রামের লোকজন মহালয়া অনুষ্ঠান শুনতে আসে। সেই অনুষ্ঠানেই হারিদাস পাল তার উপর এবং গ্রামবাসীর উপর অত্যাচরের বর্ণনা করেন।

মহালয়া অনুষ্ঠানের পর গ্রামের লোকদের বোধদয় হয়। তারা সম্মিলিতভাবে অসুর সম জনার্দন সিকদারকে প্রতিরোধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। বিত্তশালী রামলাল সাহা এই জন্য অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেয়। বাসুদেব উকিল হরিদাসকে আইনগত সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেয়। চাতাল শ্রমিক বিষ্ণু তার লোকবল দিয়ে সহায়তার ঘোষণা দেয়। কাঁলাচান কামার বিনা পয়সায় অস্ত্র বানিয়ে দেবার কথা বলে। এভাবেই আর দশজন তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এরপর সবাই প্রস্তুতি নেয়।

কথামতো পূজার আগের দিন জনার্দন সিকদার তার মাস্তান বাহিনী নিয়ে হরিদাস পালের বাড়ির দিকে আসে। তারা সবাইকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলে। প্রথমে দুর্গা বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে। তার হাতে একটা বড় দা থাকে। এর পর একে একে সবাই যার কিছু ছিল তাই নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসে। তাদের সম্মিলিত প্রতিরোধের মুখে জনার্দন সিকদার পিছু হটে।

basic-bank

Be the first to comment on "দুর্গারূপে অর্ষা"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*