নিউজ ডেস্ক : দারুণ আশা জাগিয়ে এমন অস্বাভাবিক একটা পরাজয়ের কারণ হিসেবে কোনো বিষয়কে দাঁড় করানো কঠিন। কিন্তু অধিনায়ককে তো এই প্রশ্নের জবাব দিতেই হবে। একদিন আগে সাকিবের সাথে রেকর্ড পার্টনারশিপ গড়ে তার চোখে মুখে ছিল খুশির ঝিলিক। আজ টাইগার অধিনায়কের মুখে রাজ্যের অন্ধকার। স্বপ্নের মত প্রথম ইনিংস কাটানোর পর দ্বিতীয় ইনিংসে যেমন ভেঙে পড়ল বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। তেমনি বল হাতে নির্বিষ হলেন বোলাররা।
ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে হাসপাতাল থেকে ফেরা মুশফিক বললেন, “এমন একটা ম্যাচ হারা নিঃসন্দেহে হতাশার। আমরা প্রথম ইনিংসে অসাধারণ ব্যাটিং করেছি। বাজে বোলিংই আমাদের ভুগিয়েছে। এছাড়া ইনজুরির সমস্যা তো ছিলই। ”
এই ইনজুরি সফরের আগে থেকে ভোগাচ্ছে বাংলাদেশকে। চোটের কারণে দলের সাথে যেতে পারেননি দুই সেরা পেসার মোহাম্মদ শহীদ আর শফিউল ইসলাম। তারও আগে থেকে ইনজুরিতে আক্রান্ত মুস্তাফিজ। দুটো সীমিত ওভারের ম্যাচ খেললেও রহস্যজনক কারণে তাকে একাদশে দেখা যাচ্ছে না। তাই নিউজিল্যান্ডের পেস সহায়ক উইকেটে খেলা শুরুর আগেই দুর্বল হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। তাসকিন-শুভাশিস-কামরুলদের মত অনভিজ্ঞ নবীন পেসাররা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের বলে কোনো ধার ছিল না।
মুশফিকের কণ্ঠেও ফুটে উঠল সেই হতাশা, “এই কন্ডিশনে আমাদের দলের বোলাররা খুবই অনভিজ্ঞ। তবে আশা করছি তারা দ্রুত কৌশল শিখে নিতে পারবে। আমি আশা করছি আমাদের বোলাররা ক্রাইস্টচার্চে ভালো করবে এবং বোলিংয়ে প্রতিপক্ষ দলের উপর চাপ প্রয়োগ করতে পারবে। ”
একইসঙ্গে দেশের হয়ে রেকর্ড গড়া প্রথম ইনিংসের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান সাকিব আল হাসানকেও প্রাপ্য প্রশংসা দিলেন মুশফিক, “সাকিবের জন্য সত্যি ভীষণ ভালো লাগছে, সে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়েছে। ”
উল্লেখ্য, দ্বিতীয় ইনিংসে দলের মহাবিপদের সময় বাজে শট খেলে ০ রানেই আউট হয়ে যান সাকিব। বল হাতেও সুবিধা করতে পারেননি। মেহেদী মিরাজ ২ উইকেট আর অভিষিক্ত শুভাশিস নেন ১ উইকেট। ফলে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় কিউইরা। চলতি সফরে এটি বাংলাদেশের টানা সপ্তম হার।

Be the first to comment on "বাজে বোলিং ভুগিয়েছে: মুশফিক"