নিউজ ডেস্ক : বাবুগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রাকুদিয়ার গ্রামে ১৯৮ নারীর ভাগ্যবদলের চিত্র স্বচক্ষে দেখতে আজ মঙ্গলবার বাবুগঞ্জ পৌঁছেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম। এ গ্রামের হতদরিদ্র মানুষের জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করছে বিশ্বব্যাংক। আর তাই আজ গ্রামটি সেজেছে উৎসবের সাজে। গোয়ালঘর থেকে পুকুর, হাস-মুরগির খামার সবই সাজানো হয়েছে। সাজ সাজ রব গ্রামের ১৯৮টি পরিবারে। সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এসডিএফ) নামের একটি এনজিওর আমন্ত্রণে তাদের নতুন জীবন শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন তিনি। সেখানে নারীরা দেখাবেন কিভাবে নিজেদের দারিদ্র্যকে অতি অল্প সময়ের মধ্যে পাঠিয়েছেন জাদুঘরে। তাকে শোনাবেন নিজেদের জীবনযুদ্ধ জয়ের গল্প।
আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে বরিশাল বিমানবন্দরে পৌঁছান বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট। সেখান থেকে গাড়িতে করে যান ওই গ্রামে। এসময় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প ও বহুমুখী দুর্যোগ আশ্রয়ণ কেন্দ্র পরিদর্শন করার কথা রয়েছে। এছাড়া উজিরপুরের ভরসাকাঠি গ্রামে দুর্যোগ আশ্রয়নকেন্দ্র, স্কুল এবং গ্রামের রাস্তাঘাট ও কালভার্ট পরিদর্শন করার কথা রয়েছে তার। দুপুর ১টার দিকে তার ঢাকায় ফেরার কথা। দেহেগতি ইউপি চেয়ারম্যান মশিউর রহমান জানান, দক্ষিণ রাকুদিয়া গ্রামজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
বিশ্বব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণ সহায়তার মাধ্যমে নিজেদের পরিশ্রমের দ্বারা অতি অল্প সময়ে দারিদ্র্য দূর করেছে ওই গ্রামের ১৯৮ পরিবার। এটি বিশ্বে একটি মডেল হতে পারে। সেই খবর শুনেই তাদের সফলতার কাহিনী শুনতে আসছেন বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট। বিশ্বব্যাংকের প্রধানের আগমন উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। রাকুদিয়া গ্রামকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই সেখানে নজরদারি করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন।
দক্ষিণ রাকুদিয়া গ্রামে সোমবার থেকেই মানুষের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। গণমাধ্যম কর্মীদের ক্ষেত্রেও চালু করা হয়েছে বিশেষ পাশ। বাবুগঞ্জের ইউএনও আফরোজা বেগম পারুল বলেন, বিশ্বব্যাংক প্রধানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধ পরিকর।

Be the first to comment on "ভাগ্য বদলের গল্প শুনতে বরিশালে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট"