নিউজ ডেস্ক : দুর্নীতির মামলায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ইউসুফ আলী মৃধাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার ৯ নং বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আমিনুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। এক মামলায় দুই ধারায় তাকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের জন্য তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ১৫ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। অপরদিকে সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
২০১২ সালের এপ্রিলে ধরা পড়ার পর সম্পদের তথ্য জানাতে ইউসুফ মৃধাকে নোটিস দিয়েছিল দুদক। সেই তথ্যে গড়বড় পেয়ে ১৪ অগাস্ট দুদকের উপ সহকারী পরিচালক মো. রেজাউল হাসান তরফদার রমনা থাকায় মামলা করেন। ওই বছরের ২৭ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয় ।
ইউসুফ মৃধার ৪০ লাখ ৯ হাজার ৭১৯ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। তাতে আরও বলা হয়েছিল, দুদক কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে আরও ১৭ লাখ ৩৪ হাজার ৯১৪ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের কথা স্বীকার করেন রেলের এই কর্মকর্তা।
পূর্ব রেলের মহাব্যবস্থাপক ছিলেন ইউসুফ মৃধা। ২০১২ সালে ওমর ফারুকের সঙ্গে ধরা পড়ার পর তার বিরুদ্ধে রেলে নিয়োগে অনিয়ম ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন।
সহকারী ওমর ফারুকের গাড়িতে অর্থ পাওয়ার ওই ঘটনায় সমালোচনার মুখে পদত্যাগ করেছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। পরে ওমর ফারুকের বিরুদ্ধেও দুদক অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা করে।

Be the first to comment on "সম্পদের মামলায় রেলের ইউসুফ মৃধার সাজা"