নিউজ ডেস্ক : জয়পুরহাটে আব্দুল মতিন হত্যা মামলায় সাত জনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। যার মধ্যে পিতা ও দুই পুত্রও রয়েছে। পাশাপাশি আটজনকেই ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জয়পুরহাটের জেলা ও দায়রা জজ মো. আব্দুর রহিম বুধবার এ রায় দেন।
মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধারকী প্রামানিক পাড়ার ওয়াজেদ আলী (৫৫), তার দুই পুত্র আবুল হাসান দিলীপ (২৫), মো. আনু (২০), সাবাদুল (৩৮), চৈতন মোল্লা (৪৩), মসির উদ্দিন (৪৮), মন্টু (৩০)। যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামী হলেন মাহবুব আলম বাবু।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধারকী মন্ডলপাড়া গ্রামের আব্দুল মতিন তার ৪ বছরের কন্যা বাঁধনের আকিকার দাওয়াত দেওয়ার জন্য একই গ্রামের দেলোয়ার হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি থেকে বের হন। এ সময় ধারকী বড়াইল প্রামানিক পাড়ার ওয়াজেদ আলীর বাড়ির নিকটে এলে ওয়াজেদ আলী, তার দুই পুত্রসহ ১২/১৩ জন মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে। এ সময় ওয়াজেদ আলীর গং আব্দুল মতিন ও দেলোয়ারের উপর হামলা চালায় এবং বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দিয়ে দুইজনকে আঘাত করে। পরে তারা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় আব্দুল মতিন ও দেলোয়ারকে এলাকার কয়েকজন জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সময় আব্দুল মতিনের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় স্থানান্তরের জন্য চিকিৎসকরা পরামর্শ দেয়। আব্দুল মতিনকে ঢাকায় নেওয়ার পথে সে মারা যায়। এ ঘটনায় পর আব্দুল মতিনের বড় ভাই শাহ আলম জয়পুরহাট থানায় উল্লেখিত আসামীদের নামে মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই গোলাম রব্বানি তদন্ত শেষে ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে চার্জশীট দেয়।

Be the first to comment on "মতিন হত্যা মামলায় পিতা ও দুই পুত্রসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড"