নিউজ ডেস্ক : ধলেশ্বরী তীরে ২য় দিনের মত অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ চলছে। বুধবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী তীরে এই উচ্ছেদ চলে। এ সময় জেবিসি নামের একটি ইটভাটি সম্পূর্ণ ও মঙ্গলবারের উচ্ছেদ করা এনবিএম ও জেবিএম নামের দু’টি ইটভাটির অবশিষ্ট অংশ উচ্ছেদ করা হয়।
জেবিসি ইটভাটি’র মালিক দুলাল মিয়া। তাকে পাওয়া যায়নি। উচ্ছেদেরে সময় ইটভাটির লোকজন পালিয়ে যায়। পরে এসকেভেটার দিয়ে উচ্ছেদ পরিচালনা করা হয়।
এসব তথ্য দিয়ে বিআইডব্লিউটিএর যুগ্ম পরিচালক আরিফ উদ্দিন জানান, বিআইডব্লিউটিএর অনুমোদন না নিয়েই অবৈধভাবে ইটভাটি তৈরী করা হয়। বার বার নোটিশ দেওয়ার পরও অবৈধ এই ভাটি সরিয়ে নেওয়া হয়নি। তাই উচ্ছেদ করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জের এ অংশে ছোট বড় ৫০টি ইটভাটা ধলেশ্বরীর মূল চ্যানেল দখল করে ব্যবসা করে যাচ্ছে। ২০০৯ সালের হাইকোটের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১২ সাল থেকে বিআইডাব্লিউটিএ এ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষা, বালু ও তুরাগ নদীর পর ধলেশ্বরীতে অভিযান চলানো হয় যা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ভরাকাটালের সময় নদীর সর্বোচ্চ জলসীমা থেকে ১৫০ ফুট দূরে স্থাপনা থাকার কথা থাকলেও এখন মরাকাটালের সময় নদী গর্ভে এসে ইটভাটা স্থাপন করা হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক (নারয়নগঞ্জ) মো. গোলাম মোস্তফা জানান উচ্ছেদের পর আমরা ১০/১২ ফুট গভীর করে মাটি তুলে নদী বানিয়ে দিয়েছি। এই সব ইটভাটির কারণে পরিবেশ বিপর্যয় ঘটছে। এই অবৈধ ইটভাটির মালিকদের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। তিনি আরও বলেন মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জের ধর্মগঞ্জ পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটার এলাকায় চলবে এই উচ্ছেদ। ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গা নদীর দু’পাড়ে ৫০টি ইটভাটা রয়েছে।

Be the first to comment on "মুন্সীগঞ্জে ধলেশ্বরী তীরে অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদ"