আত্মহত্যার চেষ্টাকারী জাতীয় সাইক্লিস্ট পারুলের মৃত্যু

নিউজ ডেস্ক : মৃত্যুর কাছে হেরে গেলেন জাতীয় সাইক্লিস্ট পারুল আক্তার। গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টার ৯দিন পর সাভারের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি না ফেরার দেশে চলে গেলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী ও এক সন্তান রেখে গেছেন।

২০১৪ সালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান সাইক্লিং ট্র্যাক চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জ জয়ী এই ক্রীড়াবিদ গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে। তবে দাম্পত্য কলহের কারণেই তার এই প্রচেষ্টা কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার এই অকালমৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে ক্রীড়াঙ্গনে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছেন সবাই।

২০০২ সালে মাগুরা জেলার হয়ে সাইক্লিং খেলতে আসেন গঙ্গারামপুরের মেয়ে পারুল আক্তার। বিজেএমসির কোচ আবদুল কুদ্দুসের হাত ধরে ২০০৭ সালে বিজেএমসিতে পেশাদারিত্বের পথে প্রবেশ তার। দুবছর পরেই বাংলাদেশ আনসার থেকে ডাক পান পারুল। বিগত সাত বছরে দেশের সাইক্লিংয়ে অনেক কিছুই দিয়েছেন তিনি। বিদেশের মাটি থেকে দেশের জন্য বয়ে এনেছেন অনেক সম্মান। তার মধ্যে ২০১৩ সালে অষ্টম বাংলাদেশ গেমসে পদক জিতেছিলেন। ২০১৪ সালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ট্র্যাক চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জপদকও এনে দেন দেশকে। কিন্তু হঠাৎ করেই কি হলো, তা কেউই বলতে পারেন না।

এর আগে ২০১২ সালে একইভাবে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিলেন কুষ্টিয়ার আমলা গ্রামের মেয়ে আনসারের সাঁতারু আরিফা। তার মৃত্যুর জন্য দায়ী কোচ এমদাদুল হককে পাঁচ বছরের জন্য সাঁতার ফেডারেশন থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এমনকি আনসার থেকেও চাকরি হারিয়েছিলেন এমদাদ।

Print Friendly, PDF & Email
basic-bank

Be the first to comment on "আত্মহত্যার চেষ্টাকারী জাতীয় সাইক্লিস্ট পারুলের মৃত্যু"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*