নিউজ ডেস্ক॥ দূর্নীতির মামলায় নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডঃ সোহরাব হোসেন বিশ্বাস ও সদর পৌর মেয়র জাহাঙ্গীর হোসেন বিশ্বাস সহ ৮ জনকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬’শ ৬৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদন্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোর স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ আদেশ দেন।
দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন,বর্তমান নড়াইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ সোহরাব হোসেন বিশ্বাস (সাবেক পৌর চেয়ারম্যান), নড়াইল পৌরসভার বর্তমান মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর বিশ্বাস (সাবেক কাউন্সিলর), বর্তমান কাউন্সিলর শরফুল আলম লিটু, সাবেক পৌর কাউন্সিলর সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বাচ্চু, মোঃ আহম্মেদ আলী খান, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ তেলায়েত হোসেন, সাবেক অফিস সহকারী (সচিব) মতিউর রহমান (বর্তমানে মৃত)।
মঙ্গলবার (২৬সেপ্টেম্বর) ৬ জন আসামী আদালতে হাজির হলে আদালত তাদের সাজা ঘোষনা করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলার অন্যতম আসামী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ্যাডঃ সোহরাব হোসেন বিশ্বাস আদালতে হাজির হননি।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যশোরের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, নড়াইল পৌরসভার রূপগঞ্জ পশুরহাটের ৩ সনের ইজারা মূল্য ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬’শ ৬৫ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ২০০৮ সালের ৭ আগস্ট নড়াইল থানায় মামলা হয়। বিজ্ঞ স্পেশাল জজ আদালত দন্ডবিধি ৪০৯, ১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের ২নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় এ শাস্তি দেন। দন্ডবিধি ৪০৯ ধারায় প্রত্যেককে ৩বছর এবং ৫(২) ধারায় ৪ বছর করে শাস্তি প্রদান করে এবং প্রত্যেকে ১ লক্ষ ৯৬ হাজার টাকার জরিমানা করেন আদালত। বিজ্ঞ স্পেশাল জজ আদালত যশোরের স্পেশাল মামলা নং- ১৪/২০০৯।
মামলার বিবরনে জানা যায়, ২০০৯ সালে হাট বাজার ইজারা নীতিমালার শর্ত ভঙ্গ করে বাংলা ১৪১১, ১৪১২ ও ১৪১৩ এই ৩ সনের নড়াইল পৌরসভার পশুরহাটের ইজারা বাতিল করে ১ লক্ষ ৯৫ হাজার ৩৫৫ টাকা খাস আদায় করে অবৈধভাবে ৩৩ হাজার টাকা ফেরৎ দেয়ায় সরকারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে মর্মে দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত যশোর এর সহকারী পরিচালক মোঃ ওয়াজেদ আলী গাজী বাদী হয়ে নড়াইল পৌরসভার ৭জন জনপ্রতিনিধি ও ১জন কর্মচারী সহ মোট ৮জনের বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-৯। তারিখ ৭/৮/২০০৯।

Be the first to comment on "দূর্নীতির মামলায় নড়াইল পৌরমেয়র সহ ৬জন জেল হাজতে"