শিরোনাম

প্রেমিকের সাহায্যে খুন রাষ্ট্রদূত স্বামীকে

নিউজ ডেস্ক : পুলিশের কাছে স্বামীর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করেছিল স্ত্রী। ঘটনার চার দিনের মাথায় পুড়ে প্রায় খাক হয়ে যাওয়া একটি গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় কূটনীতিক স্বামীর দগ্ধ দেহ। কিন্তু প্রেমিকের সাহায্য নিয়ে ঠান্ডা মাথায় স্বামীকে খুনের অভিযোগে পুলিশ গ্রেফতার করেছে নিহতের স্ত্রীকেই। বাদ যায়নি প্রেমিক ও তাঁর এক আত্মীয়ও। ধৃত প্রেমিক আবার ব্রাজিল পুলিশেরই এক অফিসার বলে জানিয়েছেন রিওর হোমিসাইড বিভাগের প্রধান এবারিস্তো পোন্টেস। গত কাল সাংবাদিক সম্মেলন করে পুলিশ প্রধান জানিয়েছেন, কী ভাবে ছক কষে খুন করা হয়েছে ওই কূটনীতিককে।
গত পরশু ব্রাজিলে গ্রিসের দূত, কায়রাকোস আমিরিদিসের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। স্ত্রী-কন্যাকে নিয়ে রিও দে জেনেইরোতে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন বছর উনষাটের আমিরিদিস। গ্রিক দূতের ব্রাজিলীয় স্ত্রী, বছর চল্লিশের ফ্রাঁসোয়া ডি সুজা অলিভেইরা রিও পুলিশকে জানিয়েছিল, রিওর উত্তর প্রান্তে যে ভাড়ার অ্যাপার্টমেন্টে তারা থাকছিল, সেখান থেকে একটি ভাড়া গাড়িতে করে গত সোমবার বেরিয়ে গিয়েছিলেন তাঁর স্বামী। সেই মতো পুলিশ নিখোঁজ ডায়েরিও করে।
কিন্তু তদন্তে মোড় ঘোরে বৃহস্পতিবার আমিরিদিসের দেহ উদ্ধারের পরে। পুলিশ বুঝতে পারে গ্রিক দূতের স্ত্রীর বক্তব্যে বিস্তর অসঙ্গতি রয়েছে। রিওর অ্যাপার্টমেন্টে তদন্ত করতে গিয়ে সোফায় রক্তের দাগ দেখে পুলিশ নিশ্চিত হয়, আমিরিদিসকে ওই বাড়িতেই মারা হয়েছে। অলিভেইরাকে জিজ্ঞাসাবাদের পরে তার প্রেমিক পুলিশ অফিসার সের্গিও গোমেজ মোরেইরার খোঁজ পায় পুলিশ। প্রকাশ্যে আসে সত্যিটা।
পুলিশের বক্তব্য, বছর উনত্রিশের ওই পুলিশ অফিসার তার এক আত্মীয়কে মোটা অঙ্কের অর্থের লোভ দেখিয়ে গোটা ঘটনায় কাজে লাগিয়েছিল। পুলিশকে সের্গিও জানিয়েছে, ঘটনার দিন আমিরিদিসের সঙ্গে তার মারামারি হয়। আত্মরক্ষার্থে গ্রিক কূটনীতিকের গলা টিপে ধরে সে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, খুন করার উদ্দেশ্য নিয়েই সে দিন আমিরিদিসের অ্যাপার্টমেন্টে ঢুকেছিল সের্গিও। নিজে খুন না করলেও গোটা ঘটনায় মদত ছিল অলিভেইরার। ঘটনার সময় নিজের শিশু কন্যাকে নিয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে গিয়েছিল সে। বাবার খুনের ঘটনা তাই জানতে পারেনি দশ বছরের খুদে।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

basic-bank

Be the first to comment on "প্রেমিকের সাহায্যে খুন রাষ্ট্রদূত স্বামীকে"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*