শিরোনাম

ফ্লিনের বিষয়ে আগেই জানতেন ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েক সপ্তাহ আগেই জানতেন মাইকেল ফ্লিনের সঙ্গে রাশিয়ার নিয়ে সৃষ্ট ঝামেলা সম্পর্কে। হোয়াইট হাউজের একজন ‍মুখপাত্র বিবিসিকে এসব তথ্য জানিয়েছে।
খবরে বলা হয়, বিচার বিভাগ চলতি বছরের জানুয়ারির শেষে ট্রাম্পকে সতর্ক করেছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, ফ্লিন মার্কিন জনগণ ও কর্মকর্তাদের ধোঁকা দিচ্ছেন।
ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব নেওয়ার আগেই ফ্লিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত সের্গেই কিসলিয়াকের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই আলোচনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে ফ্লিনের বিরুদ্ধে।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করা হয়।
হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র শন স্পাইসার বলেন, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফ্লিনের আলোচনার সব সত্য যে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে বলেননি তা জানুয়ারির শেষের দিকে জানতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
তিনি আরও বলেন, ‘আস্থা হারানোর পর প্রেসিডেন্ট তাকে পদত্যাগ করার জন্য বলেন। পরে সোমবার তিনি পদত্যাগ করেন। বিষয়টি সম্পূর্ণই সততা ও আস্থার।’
মার্কিন গণমাধ্যমগুলো বলছে, মাইকেল ফ্লিনকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেওয়ার দিন থেকেই এফবিআই প্রশ্ন করে গেছে।
অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইকেল ফ্লিন ভোটের প্রচারের দিনগুলোতে জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে ট্রাম্পের পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন। কখনো কখনো ট্রাম্পের প্রচার সমাবেশে সূচনা বক্তব্য নিয়েও আসতে দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক এই প্রধানকে।
যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি দায়িত্বের বাইরের কারও কূটনৈতিক যোগাযোগ করার এখতিয়ার নেই। আর গতবছর শেষ দিকে ফ্লিন যখন রুশ দূতের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তখনও নতুন প্রশাসনে তার নিয়োগ পাকা হয়নি।
গত ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট ফ্লিনের রুশ যোগাযোগ নিয়ে হোয়াইট হাউজকে সতর্ক করে দিয়েছিল। বলা হয়েছিল, ফ্লিন রাশিয়ার ব্লাকমেইলের শিকার হতে পারেন।

basic-bank

Be the first to comment on "ফ্লিনের বিষয়ে আগেই জানতেন ট্রাম্প"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*