নিউজ ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের নামকরা খুচরা বিক্রেতা কম্পানিগুলো নতুন বছররের শুরুতেই তাদের বিশাল সংখ্যক দোকান বন্ধ করতে যাচ্ছে।
খুচরা বিক্রয়ে অনলাইন শপিং স্পেসের জনপ্রিয়তা বেড়ে চলায় শপিংমলের খুচরা বিক্রয়ের দোকানগুলোতে পদব্রজে ক্রেতাদের আগমনের হার কমে যাওয়ায় বাধ্য হয়েই এই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হচ্ছে।
মর্নিংস্টার এর কনজ্যুমার ইক্যুইটি স্ট্র্যাটেজিস্ট আর জে হোটোভি বলেন, “আপনি যদি দুর্বল খেলোয়াড় হন তাহলে ২০১৭ সাল আপনার জন্য খুবই কঠিন একটি বছর হতে যাচ্ছে। ”
তিনি বলেন, “তার প্রত্যাশা ২০১৭ সালে বেশ কিছু সংখ্যক খুচরা বিক্রেতা নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করতে বাধ্য হবে। পাশাপাশি প্রচুর সংখ্যক দোকানও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে। ”
ম্যাকিস, কোহল, ওয়ালমার্ট এবং সিয়ার্স সহ প্রায় প্রতিটি প্রধান ডিপার্টমেন্ট স্টোর গত কয়েক বছরে সামষ্টিকভাবে কয়েক শ দোকান বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। কারণ ই-কমার্স এর পরিধি বেড়ে চলায় সেগুলো লোকসান দিচ্ছিল। কিন্তু দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা এর চেয়ে বেশি ঘটেছে।
ম্যাকিস ইতিমধ্যেই জানিয়েছে, তারা ১০০টি দোকান বন্ধ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। যা তাদের মোট দোকান সংখ্যার ১৫%। সিয়ার্সও আগামী এপ্রিলের মধ্যে অন্তত ৩০টি দোকান বন্ধ করে দেবে। এরপর শিগগিরই আরো বেশ কিছু সংখ্যক দোকান বন্ধ করে দেওয়া হবে। সিভিএসও বলেছে, তারা এই মাসেই ৭০টি দোকান বন্ধ করে দেবে।
অ্যারোপোস্ট্যাইল মে মাসে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করবে। অ্যামরিকান ইগল, চিকোস, ফিনিশ লাইন, মেনস ওয়্যারহাউজ এবং দ্য চিলড্রেনস প্লেসও বেশ কয়েক বছরব্যাপী দোকান বন্ধ করার একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে।
সামনের মাসগুলোতে এমন আরো অনেক খুচরা বিক্রেতার দোকান বন্ধ করার ঘোষণাও আসতে পারে।
দোকান বন্ধ করার পাশাপাশি খুচরা বিক্রেতারা তাদের বর্তমান লোকেশনও সংকুচিত করে আনার চিন্তা করছে।
খুচরা বিক্রেতারা এভাবে তাদের দোকান বন্ধ করতে থাকলে অনেক শপিংমলও বন্ধ হয়ে যাবে। এতে অন্তত ২০০ শপিংমল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে ক্রেডিট সুইসে এর এক বিশ্লেষণের বরাতে জানিয়েছে মর্নিং স্টার।
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার
যুক্তরাষ্ট্রে খুচরা বিক্রয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাবে

Be the first to comment on "যুক্তরাষ্ট্রে খুচরা বিক্রয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাবে"