নিউজ ডেস্ক: ১. বিয়ে: ভারতীয়দের মধ্যে এখনও সম্বন্ধ করে বিয়ের চল রয়েছে পুরোদমে। দেখা যায়, অনেক ক্ষেত্রেই পরিবারের চাপে একটি ছেলে বিয়ে করে ফেলছে। পরে স্ত্রীর সঙ্গে তাঁর বনিবনা হচ্ছে না। মানসিক বা শারীরিক, দূরত্ব ক্রমেই বাড়তে থাকে।
২. বিয়ের বয়স: ভারতীয় পরিবারে ছেলে চাকরি পেলেই বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা প্রবল। কিন্তু অল্পবয়সে বিয়ের পরিণাম সর্বদা ভাল হয় না। একটু বয়স বাড়লে স্বাধীন রোজগেরে ছেলে নিজের পছন্দমতো জীবনের দিকে আকৃষ্ট হন। সেটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।
৩. অল্পবয়সে বাবা হওয়: অল্পবয়সে বিয়ে এবং নাতি-নাতনির মুখদর্শনের মতো আবদারের চাপে অল্পবয়সেই অনেক ভারতীয় পুরুষ বাবা হয়ে যান। রোজগার করে যখন জীবনে উড়ে বেড়ানোর কথা, তখনই বাচ্চা কোলে ন্যাপি পাল্টাতে হয় অনেককে। ফলে বাচ্চা বড় হলে যৌবনের না-পাওয়া জিনিসগুলো পেতে অনেকে ব্যাকুল হয়ে ওঠেন।
৪. পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না-পারা: রোজগেরে হওয়ার পরে আচমকা একজন ভারতীয় পুরুষের কাছে তাঁর চারপাশের পৃথিবীটা দ্রুত পাল্টাতে থাকে। বিয়ে, সংসার, বাচ্চা মিলিয়ে সে এক বিশাল ব্যাপার। অনেকে হাঁসফাঁস করেন। মুক্তির উপায় হয়ে দাঁড়ায় পরকীয়া।
৫. শারীরিক অসন্তোষ: অনেক ক্ষেত্রে স্ত্রীর সঙ্গে যৌনতায় চাহিদা না-মেটা একটা বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
৬. মানসিক দূরত্ব: শারীরিক এবং মানসিক দূরত্ব কিন্তু প্রায় একসঙ্গে আসে। একটা না-মিটলে অন্যটায় ঘাটতি হয়। ফলে, শরীরের মতো মনের চাহিদা না-মিটলেও পরকীয়া হয়ে দাঁড়ায় বিকল্প।
৭. কথা কাটাকাটি: স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে যদি তিক্ততাই শেষ কথা হয়ে দাঁড়ায়, তা হলে পরকীয়া অবশ্যম্ভাবী।
৮. অগ্রাধিকারের প্রশ্ন: সংসারে কোন বিষয়টিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, তা নিয়ে মতপার্থক্য ঘটে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। সেটা যদি নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নেওয়া না-হয়, তা হলে বিপর্যয় আসবেই।
৯. কেরিয়ার: ইঁদুর-দৌড়ের যুগে কেরিয়ারই শেষ কথা। কেউ সিঁড়ি বেয়ে উঠতে চান, কেউ বা আবার ব্যর্থ হয়ে আঁকড়ে ধরতে চান বিকল্প। সম্পর্ক যায় ভেস্তে। পরকীয়া বাসা বাঁধে সংসারে।
১০. টাকা কার: সংসারের অর্থনীতি কার হাতে থাকবে? এই মোক্ষম প্রশ্নে তৈরি হয় দূরত্ব। স্ত্রী যদি রোজগেরে হন, তা হলে ইগো চলে আসে সম্পর্কের মাঝে। স্ত্রী যদি রোজগেরে না-হন, তা হলেও সমস্যা জটিল হয়। সব মিলিয়ে পুরুষ হয়ে যান বহির্মুখী।

Be the first to comment on "যে ১০ কারণে ভারতীয় পুরুষরা পরকীয়া করে"