লোহাগড়ায় ভূয়া ডেন্টাল ডাক্তার গ্রেফতার

লোহাগড়ায় ভূয়া ডেন্টাল ডাক্তার গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক॥ চিকিৎসকের সহকারী হিসেবে কাজ করেই হয়ে গেছেন দন্ত চিকিৎসক। প্রাতিষ্ঠানিক বিডিএস ডিগ্রী নেই। চেম্বার সাজিয়ে নিজেই শুরু করেছেন অবৈধ ব্যবসা। রোগী দেখতে নিয়ে থাকেন চড়া ফি। দাঁতের জটিল অপারেশনও করেন তিনি। রোববার লোহাগড়ায় ধরা পড়েন এমনই একজন ভূয়া ডেন্টাল চিকিৎসক।
জানা গেছে, লোহাগড়া হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার শেখ আবুল হাসনাতের উপস্থিতিতে রোববার (১৭ফেব্রুয়ারী) বিকালে লোহাগড়ার ফয়েজ মোড়ে অবস্থিত নিউ সিটি ডেন্টাল কেয়ারে ভ্রাম্মমান আদালত পরিচালনা করেন ভ্রাম্মমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আশিক খান। সেখানে বেশ চাটুকারি বিজ্ঞাপন ও চেম্বার সাজিয়ে বড় ডাক্তার সেজে রোগী দেখে আসছেন ভূয়া ডেন্টাল ডাক্তার শহিদুল ইসলাম ইয়াদ। সে বিডিএস (ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারী) প্রাতিষ্ঠানিক সনদ প্রাপ্ত না হওয়ায় ডাক্তার পদবী ব্যবহার এবং লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিক পরিচালনার অপরাধে ভ্রাম্মমান আদালত তাকে ১৫দিনের কারাদন্ড প্রদান করে জেল হাজতে প্রেরন করেন।
অপর দিকে লোহাগড়া বাজারের মজুমদার মার্কেটে চেম্বার খুলে ভূয়া ডাক্তার পদবী ব্যবহার করে লিয়াকত হোসেন দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের সাথে প্রতারনা করে আসছিলেন। ভ্রাম্মমান আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে চেম্বার ফেলে সটকে পড়েন লিয়াকত। আদালত চেম্বারটি তালাবদ্ধ করে সীলগালা করেন।
ভ্রাম্মমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আশিক খান জানান,বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) আইন-২০১০ এর ২২ ধারা ১ উপধারা আইনের অধীন নিবন্ধন ব্যতীত কোনো মেডিকেল চিকিৎসক বা ডেন্টাল চিকিৎসক এ্যালোপ্যাথি চিকিৎসা করতে অথবা নিজেকে মেডিকেল চিকিৎসক বলে পরিচয় দিতে পারবেন না। ২ উপধারায় বলা হয়েছে, কেউ ১ উপধারার লংঘন করলে তিনি ৩ বছরের কারাদন্ড অথবা এক লাখ টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবেন।

Print Friendly, PDF & Email
basic-bank

Be the first to comment on "লোহাগড়ায় ভূয়া ডেন্টাল ডাক্তার গ্রেফতার"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*