নিজস্ব প্রতিবেদক : ১২ বছরের এক মেয়ে শিশুকে আটকে রেখে গনধর্ষণের অভিযোগে শাহরিয়ার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র্যাব। শিশুটিকে দক্ষিন থানা এলাকার বাসা থেকে ওই শিশুটি তুলে নিয়ে রামপুরা একটি বাসায় আটকে রেখে তাকে পলাক্রমের ধর্ষন করে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিন থানায় গণধর্ষনের অভিযোগ ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেন শিশুটি বাবা। শাহরিয়ার ছাড়া অন্য আসামিরা হচ্ছেন, ফাতেমা আক্তার, জুলিয়া আক্তার, নাসির, জুয়েল ও ইমন।
পরে র্যাব-১ বিষয়টি তদন্ত করে ধর্ষকের মুলহোতাল শাহারিয়াকে রামপুরা এলাকা থেকে আটক করে। পরে গ্রেফতারকৃত শাহরিয়ারকে দক্ষিণখান থানায় আনা হয়। আর বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়েছে।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব-১) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ জানান, শিশুটির বাড়ি দক্ষিণখান এলাকায়। গত সোমবার প্রতিবেশী শিমলা নামের এক নারী শিশুটিকে রামপুরা এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে একটি বাড়িতে তাকে আটকে রাখা হয়। ওই বাড়িতে শিশুটিকে শাহরিয়ার রিয়ন নামের এক যুবক ধর্ষণ করে। এরপর আরও তিনজন তাকে ধর্ষণ করে। শিশুটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে র্যাব ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। ওই বাসা থেকে শাহরিয়ারকে নামে এক ধর্ষককে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাব জানায়, রামপুরার ওই বাসায় শিমলা মাঝে মধ্যে শাহরিয়ারের সঙ্গে থাকত। তারা গত বুধবার শিশুটির বাবাকে ফোন করে মুক্তিপণ দাবি করে। শিশুটির বাবা ওই দিনই র্যাবের কাছে অভিযোগ করেন। শিশুটির বাবা গাড়িচালক ও মা সেবিকা বলে র্যাব জানিয়েছে। মা ও বাবা দীর্ঘ সময় বাসায় না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী শিমলা শিশুটি ও তার এক বান্ধবীর সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলে। এই সুযোগে শিমলা ওই শিশুটি কৌশলে রামপুরায় নিয়ে মুক্তিপন দাবী করে। আর শিশুটি পালাক্রমের র্ধষন করে অপহরনকারীরা।

Be the first to comment on "১২ বছরের শিশু ধর্ষনের অভিযোগে এক যুবক গ্রেফতার"