নিউজ ডেস্ক : এইচআইভি নির্মূলে সরকারি কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশের তরুণ সমাজসহ অন্যান্য সংস্থাসমূহের কার্যকরী ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
তিনি আজ ‘বিশ্ব এইডস দিবস’ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এই আহবান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, এইচআইভি সংক্রমণ শুধুমাত্র একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা নয় বরং এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর সামাজিক, আর্থিক এবং মানসিক নেতিবাচক প্রভাব প্রবলভাবে পরিলক্ষিত হয়। এ কারণে এইচআইভি আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা প্রদানসহ তাদের প্রতি মানবিক আচরণ ও সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া একান্ত প্রয়োজন।
এইচআইভিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির অপরিহার্যতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এইচআইভি নিয়ন্ত্রণ বা নির্মূল করার লক্ষ্যে প্রতিরোধ ও চিকিৎসা কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়নের পাশাপাশি ধর্মীয় ও সামাজিক অনুশাসন মেনে চলা, পারিবারিক সুসম্পর্ক বজায় রাখা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, ইতিবাচক মনোবৃত্তির পরিচর্যা, উন্নত মননশীলতা এবং সুকুমার বৃত্তির অনুশীলন খুবই জরুরি।
হামিদ বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ বিশ্বব্যাপী উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশ সহ¯্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এমডিজি) অনেকগুলো সূচক সাফল্যের সাথে অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে, যার অন্যতম একটি হলো এইচআইভি সংক্রমণ হ্রাস।’
তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশসমূহে এইচআইভি সংক্রমণের উচ্চহার বিরাজ করলেও জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের হার শূন্য দশমিক ১ শতাংশের নীচে। এটি আমাদের মতো অতি ঘনবসতি দেশের জন্য একটি সুখবর। এই অর্জনে সরকারি কার্যক্রমের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থাসমূহের অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব এইডস দিবস’ উদ্যাপিত হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এইচআইভি নির্মূলে তরুণ সমাজকে ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

Be the first to comment on "এইচআইভি নির্মূলে তরুণ সমাজকে ভূমিকা রাখার আহ্বান রাষ্ট্রপতির"