শিরোনাম

টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাংসদকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত

নিউজ ডেস্ক : টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাংসদ আমানুর রহমান খান (রানা) ও তাঁর তিন ভাইকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ। আজ সোমবার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খানের সভাপতিত্বে জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জানান, মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যায় সাংসদ আমানুর ও তাঁর ভাইদের নামে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কারাগারে আটক অবস্থায় আমানুর ছাত্রলীগ নেতা আবু সাঈদকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই খুনি চক্রের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা শাখার সাংগ​ঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান সোহেল বলেন, সভার কার্যবিবরণী কেন্দ্রে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হবে।

সাংসদ আমানুরের অন্য তিন ভাই হলেন টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সহিদুর রহমান খান (মুক্তি), ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান (বাপ্পা) ও ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান (কাকন)। পুলিশি তদন্তে ফারুক হত্যা মামলায় আমানুর ও তাঁর ভাইদের জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসার পরই তাঁদের দল থেকে বহিষ্কারের দাবি ওঠে। ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাতে শহরের কলেজপাড়া এলাকার বাসার সামনে থেকে জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৪ সালের আগস্টে আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামের দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতে দেওয়া তাঁদের জবানবন্দিতে ফারুক আহমেদের হত্যার সঙ্গে সাংসদ আমানুর ও তাঁর ভাইদের জড়িত থাকার বিষয়টি বের হয়ে আসে। এ ছাড়া গত ৯ নভেম্বর রাতে ঘাটাইল এলাকায় অস্ত্রধারীরা আবু সাঈদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার আসামি আ. জুব্বার গত ২০ ডিসেম্বর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। সেখানে তিনি বলেন, সাংসদ আমানুরের পরিকল্পনা ও নির্দেশে তাঁরা আবু সাঈদকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করেন।

basic-bank

Be the first to comment on "টাঙ্গাইল-৩ আসনের সাংসদকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*