শিরোনাম

নিউ ইয়র্কে ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক : সংখ্যালঘুদের হত্যা বন্ধসহ জামাতের রাজনীতি বন্ধের দাবিতে নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ। দেশের সকল গুপ্তহত্যা বন্ধের প্রতিবাদে গত সোমবার প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারক লিপিও প্রদান করেন ভারপ্রাপ্ত কনস্যাল জেনারেলের হাতে।

সংখ্যালঘুদের জন্য সংসদে ৬০টি আসন সংরক্ষণ করা, প্রশাসনিক কাঠামোর প্রতিটি স্তরে ২০ শতাংশ সংখ্যালঘু ও আদিবাসীদের পদায়ন,সংবিধানের ১২ অনুচ্ছেদের ২(ক) অনুচ্ছেদ বিলোপ এবং ১৯৭২ সালের সংবিধানের মৌল আদলে রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষ নীতির যথাযত বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা, সবার ক্ষেত্র সমঅধিকার ও সমমর্যাদা নিশ্চিত করা, স্বার্থ বান্ধব আইন বাস্তবায়ন ও প্রণয়ন,শিক্ষা ব্যবস্থার বৈষম্য নিরসনে পাঠ্যপুস্তকে সকল ধর্ম ও জাতিসত্বার সম মর্যাদার প্রতিফল ঘটাতে হবে এবং দায় মুক্তির সংস্কৃতি থেকে জাতিকে উত্তরণ ঘটাতে হবে এ সাত দফা দাবির নিয়ে কনস্যুলেট অফিসের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ গ্রহন করেন। এ সমাবেশে সুশিল সাহা, বিষ্ণু গোপ, প্রকাশ গুপ্ত, সুবীর এল রোজারিও,সুজন রায়,বাপী অধিকারী,বরুন পাল,সুকান্ত দাস, অমল বড়ুয়া, রবীন্দ্র নাথ সরকার,সনজীব পাল ও  নেপাল মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে কনস্যুলেট অফিসে গিয়ে ঐক্য পরিষদে নেতারা ভারপ্রাপ্ত কনস্যাল জেনারেল শাহেদ আহমেদেও হাতে ৭ দফার স্মারকলিপি তুলে দেন। এসময় বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধিদের তিন সভাপতি নবেন্দু বিকাশ দত্ত,নয়ন বড়ুয়া, জেমস রায়,সাধারন সম্পাদক স্বপন দাশ ও প্রচার সম্পাদক প্রিয়তোষ দে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে কনস্যুলেট অফিসে গিয়ে ঐক্য পরিষদে নেতারা ভারপ্রাপ্ত কনস্যাল জেনারেল শাহেদ আহমেদেও হাতে ৭ দফা সংযুক্ত স্মারকলিপি তুলে দেন। সমাবেশে বক্তব্যে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের অর্জনকে ধ্বংস,অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে হত্যা, মুক্তবুদ্ধির দেশকে নিশ্চিহ্ন, ও প্রগতীর চাকাকে স্তব্ধ করে দেয়ার জন্যই একের পর এক ঘাতকরা হত্যার হোলি খেলছে।

এসব হত্যাকান্ডের অবসান ও ঘাতকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে বক্তরা বলেন, দেশ থেকে জঙ্গীবাদ,মৌলবাদ ও জামাত-শিবিরের অপতৎপরাতা বন্ধ করতে হবে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

basic-bank

Be the first to comment on "নিউ ইয়র্কে ঐক্য পরিষদের বিক্ষোভ"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*