নিউজ ডেস্ক : সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোপা দেল রের ফাইনালে উঠল স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। মঙ্গলবার রাতে নিজেদের মাঠে আতলাটিকো মাদ্রিদের সঙ্গে ড্র করার পরও দুই লেগ মিলিয়ে সমর্থকদের ফাইনালের আনন্দে ভাসিয়েছে মেসি-সুয়ারেসরা। ম্যাচটিতে ছিল লাল আর হলুদ কার্ডের ছড়াছড়ি। ঘটনাবহুল এই ম্যাচে ড্রয়ের পর দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে টানা চতুর্থবারের মতো কোপা দেল রের ফাইনালে উঠেছে বার্সেলোনা।
শুরুতে আক্রমণে ছিল আতলাটিকো। প্রথম ২০ মিনিটে আক্রমণাত্মক ফুটবলে ব্যস্ত রাখে স্বাগতিক রক্ষণভাগকে। দারুণ নৈপুণ্যে দুবার দলকে পিছিয়ে পড়া থেকে বাঁচান গোলরক্ষক ইয়াসপার সিলেসেন। ৩০তম মিনিটে ডি-বক্সে সের্হি রবের্তোর ট্যাকলে ফের্নান্দো তেরেস পড়ে গেলে পেনাল্টির আবেদন করে অতিথিরা; তবে রেফারির সাড়া মেলেনি। ৪৩তম মিনিটে দারুণ এক আক্রমণে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। ৩ জনকে কাটিয়ে কোনাকুনি গিয়ে ডি বক্সের বাইরে থেকে লিওনেল মেসির নীচু শট গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে ঠেকালেও বিপদমুক্ত করতে পারেননি। ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে লক্ষ্যভেদে কোনো ভুল করেননি সুয়ারেস।
প্রতিযোগিতার এবারের আসরে উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকারের এটি চতুর্থ গোল এবং সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই মৌসুমে ২১তম। এগিয়ে যাওয়া বার্সেলোনা দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটাও করে আক্রমণাত্মক। কিন্তু ৫৭তম মিনিটে স্পেনের মিডফিল্ডার রবের্তো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় তারা। আর ৬৯তম মিনিটে বেলজিয়ামের মিডফিল্ডার ইয়ানিক কারাসকো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখলে মাদ্রিদের দলটিও ১০ জনে পরিণত হয়।
৭৭তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ হতো পারতো; কিন্তু প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে মেসির ফ্রি-কিক ক্রসবারে লাগে। ৮৩তম মিনিটে বাঁ-দিক থেকে গ্রিজমানের নি:স্বার্থ পাস পেয়ে সহজেই জালে পাঠান বদলি নামা স্ট্রাইকার গামেরো।
হলুদ কার্ডের জন্য এই ম্যাচে খেলতে পারেননি নেইমার। ফাইনালেও এমনই এক শূন্যতা নিয়ে মাঠে নামতে হবে তাদের। লাল কার্ড পাওয়ায় শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে খেলতে পারবেন না লুইস সুয়ারেস।

Be the first to comment on "ফাইনালে বার্সেলোনা"