শিরোনাম

বিপিএলে সাব্বিরের বিস্ফোরক সেঞ্চুরি

নিউজ ডেস্ক : ৮৭ রান থেকে মনির হোসেনকে এক ছক্কায় নার্ভাস নাইন্টিজে ঢুকলেন সাব্বির রহমান। কোথায় কি নার্ভাসনেস! পরের বলেই আরেক ছক্কায় ৯৯! দুই বলে যা চেয়েছেন তাই করতে পেরে উদযাপন করে নেন সাব্বির। কিন্তু বিপিএলে নিজের প্রথম এবং বাংলাদেশী হিসেবে তৃতীয় সেঞ্চুরি করতে পরের ওভার পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। আবু হায়দারকে লেগ সাইডে খেলে দুটি রান। এবং ৫৩ বলেই সেঞ্চুরি সাব্বিরের! বিপিএলে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান হিসেবে দ্রুততম সেঞ্চুরিও বটে। বিধ্বংসী সেঞ্চুরি করতে সাব্বির মেরেছেন ৮টি ছক্কা ও ৬টি বাউন্ডারি! ৭২ রানই বাউন্ডারিতে! ৫০ করেছিলেন ২৬ বলে। সেকানে ৪টি ছক্কা ও ৩টি চার ছিল।

তখনো ব্যাট করছেন সাব্বির। আগ ব্যাট করে বরিশাল কিংস ৪ উইকেটে করে ১৯২ রান। এই বিপিএলের সর্বোচ্চ দলগত রান। মুশফিকুর রহীম খেলেন অপরাজিত ৮১ রানের ইনিংস। সাব্বিরের ব্যাটে সেই রান তাড়া করেই জেতার স্বপ্ন দেখছে রাজশাহী কিংস। এই রিপোর্ট লেখার সময় ১৫ ওভারে ৪ উইকেটে ১৫০ রান রাজশাহীর। ৩০ বলে আর ৪৩ করলেই রেকর্ড ভাঙা জয় তাদের। অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি (৫) সাব্বিরের সঙ্গী। বিপিএলে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান হিসেবে সর্বোচ্চ ১০৯ রান করে অপরাজিত সাব্বির।

বিপিএলে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রথম সেঞ্চুরিটা ২০১৩ সালে করেছিলেন শাহরিয়ার নাফীস। এদিন বরিশালের বড় সংগ্রহে যার অন্যতম প্রধান ভূমিকা। ৬৩ রান করেছেন ৪৪ বলে। নাফীস সেঞ্চুরিটা সেবার করেছিলেন খুলনার হয়ে। ৬৮ বলে সেঞ্চুরি ছিল। ১০২ রানে অপরাজিত ছিলেন। নাফীসের পর সেবারই মোহাম্মদ আশরাফুল ঢাকার হয়ে ৫৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। তিনি অপরাজিত ছিলেন ১০৩ রানে। বাংলাদেশি হিসেবে তার দ্রুততম ও সর্বোচ্চ রানের ইনিংসের রেকর্ড এদিন ভেঙেছেন ২৪ বছরের সবুজ চোখের ব্যাটসম্যান সাব্বির।

সাব্বিরের এই বিধ্বংসী সেঞ্চুরির জন্য আল-আমিন হোসেনের কপাল চাপড়ানোর কথা। ব্যক্তিগত ১৪ রানে ক্যাচ তুলেছিলেন সাব্বির। সহজ ক্যাচটি দেখেশুনে ফেলে দিয়েছিলেন আল-আমিন। ৩ নম্বরে ব্যাট করছেন সাব্বির। আল-আমিন জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে এরপর ৪৯ রানে ৩ উইকেট হারানো দল বানিয়ে দেন রাজশাহীকে। সাব্বির রুখে দাঁড়ান। প্রচণ্ড সাহসে এগিয়ে যান নতুন ইতিহাস গড়তে। বিপিএলে তার আগের সর্বোচ্চ ছিল গত আসরে করা আগ্রাসী ৪৯ বলের ৭৯।

basic-bank

Be the first to comment on "বিপিএলে সাব্বিরের বিস্ফোরক সেঞ্চুরি"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*