নিউজ ডেস্ক : ওয়ানডে সিরিজর পর টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচেও সেই একই রূপে দেখা দিল বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ। নেপিয়ারের ব্যাটিং স্বর্গে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ল টাইগারদের ব্যাটিং লাইনআপ।
স্কোরটাকে সম্মানজনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে অবদান রাখলেন মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ। কিন্তু এই উইকেটে কিউইদের আটকাতে তা যথেষ্ট ছিল না। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মাশরাফির কণ্ঠে ঝরল সেই আক্ষেপ।
বাংলাদেশ অধিনায়ক বললেন, “আমাদের আসলে ১৫ থেকে ২০ রান কম হয়ে গেছে। তারপরও মাহমুদ উল্লাহ দুর্দান্ত খেলেছে বলে আমরা ১৪১ পর্যন্ত যেতে পেরেছি। ”
ব্যাটসম্যানদের রানগুলোর দিকে তাকালেই এই কথা স্পষ্ট হয়ে যাবে। তামিম ১১, ইমরুল ০, সাব্বির ১৬, সৌম্য সরকার ০, সাকিব আল হাসান ১৪, মাশরাফি ১, নুরুল হাসান ৭*, রুবেল ২*। সর্বোচ্চ রান করেন মাহমুদ উল্লাহ রিয়াদ ৫২। শেষ পর্যন্ত তিনি ফার্গুসনের বলে বোল্ড হয়ে যান। তরুণ মোসাদ্দেক হোসেন করেন দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ রান। রিয়াদ আর মোসাদ্দেকের জুটিতেই মূলত ১৪১ রান করতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
এর মাঝেও কিছু ‘প্রাপ্তি’ খুঁজে পেয়েছেন অধিনায়ক। তার ভাষায়, “ব্যাটিংয়ে আমাদের শুরুতে উইকেট পড়ল। কিন্তু পরের ১০ ওভার ভালো ব্যাট করলাম। তবে রানটা বেশ কম হয়ে গিয়েছে। ”
ব্যাটসম্যানদের করা স্বল্প পুঁজি নিয়ে লড়াইয়ে নামেন বোলাররা। উইকেট তুলে নিয়ে চাপেও ফেলে দেন স্বাগতিকদের। কিন্তু ওই রকম উইকেটে ১৪১ কোনো রানই নয়। কিউই দলটির বেশির ভাগ ক্রিকেটার টি-টোয়েন্টি স্পেশালিস্ট। তাদের ব্যাটে প্রচণ্ড হিট আছে। এর মাঝেও চারজনকে আউট করতে সক্ষম হন বোলাররা। একজন অবশ্য রান আউট হয়েছেন।
তবে বোলারদর প্রাপ্য ধন্যবাদ দিতে ভোলেননি মাশরাফি, “বোলিংয়ের শুরুতে আমাদের লক্ষ্য ছিল দ্রুত উইকেট তুলে নেওয়ার। সেটা আমাদের বোলাররা করতে পেরেছেন। কিন্তু এরপর উইলিয়ামসন ও গ্র্যান্ডহোম এমন ভালো খেলল যে পারা গেল না। ”
আগামী ৬ জানুয়ারি দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মাউন্ট মউঙ্গানুইতে। খেলাটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায়।

Be the first to comment on "ব্যাটিং ব্যর্থতার আক্ষেপ মাশরাফির কণ্ঠে"