নিউজ ডেস্ক : রাজশাহীর বাগমারায় গৃহবধূ শারমিন আক্তার লিপি হত্যা মামলায় স্বামীকে মৃত্যুদন্ডের রায় দিয়েছে আদালত। রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক কে এম শহীদ আহমদ আসামির উপস্থিতিতে আজ মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রায় ঘোষণা করেন। এ মামলায় অপর চার আসামীকে খালায় দেয়া হয়েছে।
দন্ডপ্রাপ্ত আসামী রফিকুল ইসলাম বাগমারা উপজেলার ভবানীগঞ্জ হিন্দুপাড়ার মোহাম্মদ আলী মেকারের ছেলে। খালাস প্রাপ্তরা হলেন, রফিকুলের বাবা মোহাম্মদ আলী মেকার, তার স্ত্রী আয়শা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী শামসুন নাহার ও রফিকুলের বন্ধু কুতুবুদ্দিনের ছেলে রফিকুল।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) ইসমত আরা জানান, ২০০৭ সালের ৭ আগস্ট রফিকুল ইসলামের বাড়িতে তার স্ত্রী শারমিনকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর শারমিনের বাবা একই উপজেলার হামিরকুৎসা গ্রামের লুৎফর রহমান পাঁচজনের নামে বাগমারা থানায় মামলা করেন। বিয়ের পাঁচ মাস পর যৌতুক চেয়ে না পেয়ে তাকে হত্যা করা হয় বলে মামলায় তিনি অভিযোগ করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ পাঁচজনের নামে অভিযোগপত্র দেয় আদালতে। ১৩ জন সাক্ষির স্বাক্ষ গ্রহন শেষে আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষনা করেন বলে জানান তিনি।

Be the first to comment on "রাজশাহীতে গৃহবধূ হত্যা মামলায় স্বামীর মৃত্যুদন্ড"