শিরোনাম

সেরা চারে যাওয়ার আশা বেঁচে রইল রংপুরের

নিউজ ডেস্ক : টানা চার ম্যাচ পরাজয়ের পর জয়ের মুখ দেখল রংপুর রাইডার্স। আজ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলের দিনের প্রথম ম্যাচে বরিশাল বুলসকে ২৯ রানে হারাল সৌম্য-আফ্রিদির দল।

এই জয়ের ফলে সেরা চারে যাওয়ার লড়াইয়ে আশা জিইয়ে রাখল রংপুর। তাদের হাতে রয়েছে আরও একটি ম্যাচ। অন্যদিকে সেরা চারে যাওয়ার আশা শেষ হয়ে গেল বরিশাল বুলস এবং কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের।
শনিবার দুপুরে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে বরিশালকে ১৫৫ রানের টার্গেট দেয় রংপুর। সেই রান তাড়া করতে গিয়ে দলীয় ২ রানেই প্রথম উইকেটের পতন ঘটে বরিশালের সোহাগ গাজীর বলে মোহাম্মদ মিথুনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন রায়াদ এমরিট (১)। এরপর দলীয় ১৬ রানে সোহাগের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন বরিশাল অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম (১)। এভাবেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বরিশাল। নাইম ইসলামের বলে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে পড়েন জীবন মেন্ডিস (১২)। এরপর শহীদ আফ্রিদির বলে উইকেট কিপার মোহাম্মদ শেহজাদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ১৬ বলে ২ বাউন্ডারিতে ২১ রান করা ফজলে মাহমুদ।

দারুণ নির্ভরতার প্রতীক হয়ে খেলতে থাকা দাউয়িদ মালানকে নিজের প্রথম শিকারে পরিণত করেন আনোয়ার আলী। ২৩ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৩০ রান করে মালান উইকেট কিপার শেহজাদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। বরিশালের আশা হয়ে ক্রিজে তখনো আছেন শাহরিয়ার নাফীস। এর মধ্যেই দলীয় ১০৪ রানে শহীদ আফ্রিদীর বলে নাইম ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন থিসারা পেরেরা। তিনি ১৭ বলে ২ চার এবং ১ ছক্কায় ২৪ রান করে ফেরেন। নাফীসও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ৫ রানের ব্যবধানে ব্যক্তিগত ১৪ রানে লিওন ডসনের বলে আরাফাত সানির হাতে ক্যাচ দেন তিনি।

এরপর দ্রুত উইকেট পতনে ১৮.২ ওভারে ১২৫ রানেই শেষ হয় বরিশালের ইনিংস।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে যথারীতি সৌম্য সরকারের উইকেট হারায় রংপুর রাইডার্স। দলের রান তখন ২৯। ১২ বলে ১ চার এবং ১ ছক্কায় করা ১৭ রানে কামরুল ইসলাম রাব্বীর বলে শাহরিয়ার নাফীসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন ফর্মহীনতায় ভোগা জাতীয় দলের এই ওপেনার। তবে এরপর লম্বা জুটি গড়েন মোহাম্মদ শেহজাদ এবং মোহাম্মদ মিথুন।

শেহজাদ-মিথুনের ৭৫ রানের জুটিতে বিপদ মুক্ত হয় রংপুর। রায়াদ এমরিতের বলে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ার আগে ৪০ বলে ৪ বাউন্ডারি এবং ১ ওভার বাউন্ডারিতে শেহজাদ করেন ৪৮ রান। এরপর ছোট্ট একটা ধস নামে রংপুরের ইনিংসে। ১২ রানের ব্যবধানে ফিরে যান আরও দুই ব্যাটসম্যান। কামরুল ইসলাম রাব্বীর দ্বিতীয় শিকার হয়ে সেই শাহরিয়ার নাফীসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৭ রান করা শহীদ আফ্রিদি। এরপর দারুণ খেলতে থাকা মোহাম্মদ মিথুনকে থিসারা পেরেরা তাইজুল ইসলামের ক্যাচে পরিণত করেন। আউট হওয়ার আগে তিনি ৪১ বলে ১ চার এবং ১ ছক্কায় ৩৮ রান করেন।

দলীয় ১৩৮ রানে থিসারা পেরেরার দ্বিতীয় শিকার হন আনোয়ার আলী (৭)। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রান করে রংপুর।

basic-bank

Be the first to comment on "সেরা চারে যাওয়ার আশা বেঁচে রইল রংপুরের"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*