নিউজ ডেস্ক : আমানত ও ঋণের সুদ হারের ব্যবধান- স্প্রেডের নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করেছে ২০ ব্যাংক। এই সীমা লঙ্ঘনে সবার উপরে রয়েছে ব্র্যাক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও ডাচ-বাংলা ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়মে কোনো ব্যাংকের ঋণ ও আমানতের (স্প্রেড) সুদহারের ব্যবধান ৫ শতাংশের বেশি হতে পারবে না। অথচ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ আগষ্ট মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০ ব্যাংকের স্প্রেড দেখা গেছে নির্দেশিত সীমার বাইরে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্র্যাক ব্যাংকের স্প্রেড ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেসরকারি তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে এবি ব্যাংকের ৫ দশমিক ০৩, আইএফআইসির ৫ দশমিক ৮৪, পূবালী ব্যাংকের ৫ দশমিক ০১, উত্তরা ব্যাংকের ৫ দশমিক ৭৪, ইস্টার্ন ব্যাংকের ৫ দশমিক ৩৮, ওয়ান ব্যাংকের ৫ দশমিক ৮৮, ট্রাস্ট ব্যাংকের ৫ দশমিক ৩৬, এনআরবি কমার্সিয়ালের ৫ দশমিক ০৮ শতাংশ স্প্রেড রয়েছে।
এছাড়া সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকের (এসবিএসি) ৫ দশমিক ১৮, মেঘনা ব্যাংকের ৫ দশমিক ২২, মিডল্যান্ডের ৫ দশমিক ২২, ইউনিয়ন ব্যাংকের ৫ দশমিক ৯৩, এনআরবি ব্যাংকের ৫ দশমিক ৯১ শতাংশ স্প্রেড রয়েছে।
বিদেশি ব্যাংকের মধ্যে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার ৫ দশমিক ৯৭, সিটি ব্যাংক এনএ’র ৬ দশমিক ৩২, এইচএসবিসির ৬ দশমিক ০৬, উরি ব্যাংকের ৫ দশমিক ৬৪ , কমার্সিয়াল ব্যাংক অব সিলনের স্প্রেড রয়েছে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ। তবে রাষ্ট্রয়াত্ত্ব ও বিশেষায়িত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর স্প্রেড নির্ধারিত সীমার মধ্যে রয়েছে।
স্প্রেড নির্দেশনা মানছে না ২০ ব্যাংক

Be the first to comment on "স্প্রেড নির্দেশনা মানছে না ২০ ব্যাংক"