নিউজ ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধকালে আলবদর বাহিনীর চট্টগ্রামের সদর দপ্তর ডালিম হোটেলকে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি জাদুঘর বানানোর দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. সাহাব উদ্দিন। একই সঙ্গে ডালিম হোটেলকে মৃত্যু কারখানায় পরিণত করা জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর যাবতীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার দাবি জানান এই মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধকালে চট্টগ্রামে আলবদর বাহিনীর প্রধান ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফাঁসির রায় বহাল রাখায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন সাহাব উদ্দিন।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে আলবদর প্রধান হিসেবে মানুষের ওপর যে অত্যাচার নির্যাতন চালিয়েছিল মীর কাসেম আলী, আদালত তার ফাঁসির রায় বহাল রাখায় আমরা খুশি। ফাঁসির রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ডালিম হোটেলকে মৃত্যুর কারখানায় পরিণত করেছিল মীর কাসেম আলী। তার ফাঁসি দ্রুত কার্যকর করা হোক।
২০১৪ সালের ২ নভেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমসহ মোট আটজনকে হত্যার দায়ে মীর কাসেমের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ এসেছিল। ২০১৬ সালের ৮ মার্চ আপিল বিভাগ জসিমকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। এ ছাড়া আরও বিভিন্ন অভিযোগে পৃথকভাবে মোট ৫৮ বছরের কারাদণ্ড দেন।
ফাঁসির রায়ের পুনর্বিবেচনা চেয়ে তার রিভিউ আবেদন খারিজ করে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বে পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ মঙ্গলবার সকালে মীর কাসেমের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার চূড়ান্ত এ রায় ঘোষণা করেন।

Be the first to comment on "কাসেমের সম্পত্তি সরকারি কোষাগারে নেওয়া হোক"