নিউজ ডেস্ক : বিভিন্ন তফশিলি ব্যাংক ও দোকানপাটে কয়েন না নেওয়ায় ঈশ্বরদীর ২০ বেকারী মালিকের এক বছরে প্রায় ২ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন তফশিলি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে আবেদন করেও কোন সমাধান হয়নি। ঈশ্বরদীর কয়েকটি বেকারী ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। বাকিগুলোও যে কোন মুহুর্তে বন্ধ হয়ে হাজার হাজার কর্মচারি ও ব্যবসায়ীদের বেকার হয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় বেকারী মালিকরা অর্থমন্ত্রীর নিকট সুষ্ঠ সমাধান দাবি করেছেন। সুষ্ঠ সমাধান দিতে না পারলে তারা অর্থমন্ত্রীর অপসারণও দাবি করেছেন। পুরাতন বাজারের কোহিনুর বেকারীর মালিক নাসির আহমেদ মনিরুল ও নুর বেকারির মালিক কুটিসহ বিভিন্ন বেকারি মালিকের দেওয়া অভিযোগ সূত্রে এসব তথ্য জানাগেছে।
সুত্রমতে,ঈশ্বরদী পুরাতন বাজার,পৌর এলাকা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ২০ বেকারী রয়েছে। যেসব বেকারিতে পাউরুটি ও বিভিন্ন প্রকার বিস্কুটসহ নানা প্রকার খাদ্য পণ্য তৈরী এবং পাইকারি বিক্রয় করা হয়। গ্রামাঞ্চলের দোকানী ও পাড়া মহল্লার খুচরা দোকানিরা ঐসব বেকারীর সাথে ক্রেতা হিসাবে ব্যবসা করে থাকে। ঐসব দোকানীদের কোয়েন মালামাল বিক্রি করতে হয় বলে তারাও বেকারী মালিকদের কাঁচা টাকা দিতে বাধ্য হয়। একইভাবে বেকারী মালিকরাও তাদের কাছ থেকে কাঁচা টাকা নিয়ে মালামাল বিক্রি করতে বাধ্য হন। কোয়েন না নিলে তাদের মালামালও বিক্রি করা যায়না । এভাবে গত প্রায় এক বছরে বেকারি মালিক দের লাখ লাখ কাঁচা টাকা জমে গেছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাকসহ বিভিন্ন তফশিলি ব্যাংকেও কয়েন নেওয়া হয়না। এমনকি কোন মুদি দোকানেও কাঁচা টাকা না নেওয়ায় ইতিমধ্যে অনেক মালিক তাদের বেকারী বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। পুরাতন বাজারের কোহিনুর বেকারির মালিক শুধু নাসির আহমেদেরই ৯০ লাখ ও নুর বেকারির মালিক কুটির ২০ লাখ কাঁচা টাকাসহ ২০ বেকারি মালিকের প্রায় ২ কোটি টাকা অলস জমে লোকসান হয়েছে। এ অবস্থায় যে কোন মুহুর্তে তারা তাদের বেকারি বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবে। এতে হাজার হাজার কর্মচারি ও ব্যবসায়ীদের বেকার হয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় বেকারী মালিকরা অর্থমন্ত্রীর নিকট সুষ্ঠ সমাধান দাবি করেছেন। শীঘ্রই সুষ্ঠ সমাধান দিতে না পারলে তারা অর্থমন্ত্রীর অপসারণও দাবি করেছেন।

Be the first to comment on "ঈশ্বরদীতে কয়েনে লেনদেন হয়না ॥ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ"