নিউজ ডেস্ক : এর চেয়ে বড় নাটকীয়তা আর কী হতে পারে! দুই গোলে এগিয়ে আছে ইংল্যান্ড। ম্যাচের আর দুই মিনিট বাকী। বিজয় উৎসব শুরু করে দিয়েছেন সমর্থকরা। কিন্তু শেষ দুই মিনিটেই মাঠে দেখা গেল ম্যাজিক! জিতে যাওয়া ম্যাচটি হঠাৎই সমতায় ফিরল। নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়ালো স্পেন, আর হতাশায় ডোবাল ইংলিশদের।
মঙ্গলবার রাতে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ৪ পরাজয় এবং ১ জয় নিয়ে দুই দলের গত পাঁচ ম্যাচের পরিসংখ্যানে পিছিয়ে ছিল ইংল্যান্ডই। তবে ২০১১ সালের নভেম্বরে ওয়েম্বলিতে সেই একটি মাত্র জয়ই স্পেনের বিপক্ষে পেয়েছিল ইংলিশরা। সেই ওয়েম্বলিতেই যেন পাঁচ বছর আগে ফিরে গিয়েছিল ইংলিশরা। কিন্তু ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি কি বারবার হয়? তাই শেষ দুই মিনিটে ম্যচের স্কোর দাঁড়াল ২-২!
ম্যাচের নবম মিনিটে ডি বক্সের মধ্যে ভার্ডিকে ফাউল করে বসেন খোদ স্প্যানিশ গোলকিপার পেপে রেইনা। ফলে পেনাল্টি পায় ইংলিশরা। বল জালে পাঠাতে মোটেও ভুল করেননি ইংলিশ ফুটবলার লালানা। এরপর কেমন যেন নিষ্প্রাণ হয়ে যায় ম্যাচটি। কোনো দলের পক্ষ থেকেই রুদ্ধশ্বাস আক্রমণের দেখা মিলছিল না। ২৭তম মিনিট চোট পেয়ে মাঠের বাইরে চলে যেতে হয় লালানাকে।
তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যাবধান দ্বিগুণ করেন ভার্ডি। জর্ডান হেন্ডারসনের ক্রসে দারুণ হেডে বল জালে পাঠান এই লিস্টার ফরোয়ার্ড। দুই গোল হজম করে পরাজয় দেখতে থাকা স্পেন তখন বেপরোয়া হয়ে উঠে। প্রতিপক্ষের উপর বাড়াতে থাকে আক্রমণ। কিন্তু ইংলিশদের রক্ষণ ভেদ করা সত্যই কঠিন মনে হচ্ছিল তখন। কে জানত, কী ম্যাজিক অপেক্ষা করে আছে কিছু পরেই?
৯০তম মিনিটে ম্যাচে ফেরে স্পেন। আলভারো মোরাতার পাস ধরে ডান দিক থেকে ডি বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করেন ইয়াগো আসপাস। এরপর যোগ করা সময়ে দানি কারবাহালের লম্বা করে বাড়ানো ক্রস বুক দিয়ে নামিয়ে হিটোনকে পরাস্ত করে ইসকো। এরপরই বেজে উঠে রেফারির বাঁশি। অদ্ভুত এক ড্র এর স্বাদ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ইংলিশদের।
হেরে যাওয়া ম্যাচ নাটকীয়ভাবে ড্র করলো স্পেন!

Be the first to comment on "হেরে যাওয়া ম্যাচ নাটকীয়ভাবে ড্র করলো স্পেন!"