নিউজ ডেস্ক : অর্থনৈতিক মুক্তি এখন আমাদের বড় লড়াই। আইসিটি বিভাগের মাধমে ২০২১ সালের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। দেশের তরুন প্রজস্মকে আইসিটি প্রশিক্ষনের আওতায় হাজার হাজার বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব । বাংলাদেশের তরুন প্রজস্মই আইসিটি খাতে উন্নয়ন ঘটিয়ে বিশ্ব নেতৃত্ব তরান্বিত করতে পারে। আজ শুক্রবার সকালে তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে এবং লার্নিং এ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের আয়োজনে নাটোর নবাব সিরাজ-উদ্-দৌলা সরকারী কলেজ মাঠে দিনব্যাপী লার্নিং এ্যান্ড আর্নিং মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এসময় তিনি আরো বলেন, ১৯৭০ সালে নাইজেরিয়ার ও দক্ষিন কোরিয়ার কাছে এমন সুযোগ এসেছিল। সেময় নাইজেরিয়া না পারলেও দক্ষিন কোরিয়া আইসিটি খাতকে কাজে লাগিয়ে বর্তমানে অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ং সম্পুর্নতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। তিনি কর্তমানে দেশের স্কুল, কলেজ ও ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থী ও গার্মেন্টস্ সেক্টরে কর্মজীবি তরুন-তরুনীদের নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, বর্তমানে দেশের ১লক্ষ ৭০হাজার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে প্রায় কোটি শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশের অন্যতম রপ্তানী খাত গার্মেন্টস্ সেক্টরে প্রায় ৬০লক্ষ তরুন-তরুনী কাজ করছে। দেশের এ বিশাল পরিমান তরুন প্রজন্মকে আইসিটি প্রশিক্ষনের মাধ্যমে ২০২১সালের মধ্যে দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি সম্ভব। এছাড়া, বিভিন্ন জেলায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আইসিটি সেন্টার স্থাপনের পাশাপাশি তরুন প্রজন্মসহ বিভিন্ন পর্যায়ে আইসিটি প্রশিক্ষন বাড়ানোর জন্য আইসিটি বিভাগ নানা উদ্যেগ হাতে নিয়েছে। পরে জেলায় শ্রেষ্ঠ ৭জন ফ্রিল্যান্সারকে সন্মাননা প্রদান করা হয়। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হকের সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে বিএসিও’র সেক্রেটারী জেনারেল তৌহিদ হোসেন, প্রজেক্ট ডিরেক্টর তপন তুমার দাস উপস্থিত ছিলেন।

Be the first to comment on "অর্থনৈতিক মুক্তিই এখন আমাদের লড়াই ॥ পলক"