নিউজ ডেস্ক : অতিথি হয়ে খেলতে গিয়ে জয় না নিয়েই ফিরতে হলো আর্সেনালকে। বোর্নমাউথের বিপক্ষে তিন গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ দিকে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে হার এড়ায় আর্সেন ভেঙ্গারের শিষ্যরা।
এতেই এখন স্বস্তি পাচ্ছেন টানা তিন ম্যাচ জয়শুন্য দলটি।
ম্যাচের শুরুতেই বের্নমাউথের চার্লি ড্যানিয়েলস ও ক্যালাম উইলসনের গোলে পিছিয়ে পড়ে আর্সেনাল। ১৬তম মিনিটে ডান দিক থেকে আসা লম্বা ক্রস ইংলিশ ডিফেন্ডার ড্যানিয়েলস ডি বক্সের মধ্যে প্রথম ছোঁয়ায় দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে হেক্তর বেল্লেরিনকে কাটিয়ে কোনাকুনি শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন। ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই দ্বিতীয় গোল খেয়ে বসে আর্সেনাল। ২০তম মিনিটে গ্রানিত জাকা নিজেদের ডি বক্সে ফ্রেজারকে ফাউল করলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। ডান পায়ে সোজাসুজি শটে বল জালে পাঠান ইংলিশ ফরোয়ার্ড উইলসন।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে রায়ান ফ্রেজারের নৈপুণ্যে স্কোরলাইন ৩-০ হয়ে যায়। ৫৮তম মিনিটে প্রথম গোলদাতা ড্যানিয়েলসের পাস পেয়ে কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠান স্কটল্যান্ডের মিডফিল্ডার ফ্রেজার। ৩ গোলে পিছিয়ে পড়লেও ৫ মিনিটের ব্যবধানে আলেক্সিস সানচেস ও লুকাজ পেরেসের গোলে ম্যাচে ফেরে আর্সেনাল। ৭০তম মিনিটে জিরুদের হেডে বল পেয়ে ঝাঁপিয়ে ফিরতি হেডে ব্যবধান কমান সানচেস। এরপর জিরুদেন ফ্লিক থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের চমৎকার কোনাকুনি ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন বদলি ফরোয়ার্ড পেরেস।
৮২তম মিনিটে বোর্নমাউথ অধিনায়ক সিমোন ফ্রান্সিস লাল কার্ড দেখার সুযোগ নিয়ে হেডে বল জালে পাঠান জিরুদ। আর্সেনাল হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। অন্তত পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে তো ফিরতে হলো না।

Be the first to comment on "কোনোমতে হার বাঁচাল আর্সেনাল"