শিরোনাম

নাসিরনগরের ঘটনার রহস্য উন্মোচন

নিউজ ডেস্ক : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে কাবা শরীফ নিয়ে বিকৃতি ছবির পোস্টের ঘটনায় একজন আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। বুধবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলামের আদালতে আশুতোষ দাস দীর্ঘ জবানবন্দি প্রদান করেন।

জবানবন্দিতে কে-কিভাবে কাবাঘরের ছবি বিকৃতি করে ছবি পোস্ট করে এ সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দুইদিন ধরে আশুতোষ দাসকে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর সে ঘটনার শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেন। পরবর্তীতে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হয়। তাকে কড়া পুলিশ প্রহরায় তাকে আদালত প্রাঙ্গণে নেয়া হয়। বিচারকের সামনে দীর্ঘ জবানবন্দি প্রদান করে। অন্তত আধা ঘণ্টা তিনি আদালতে ওই দিনের ঘটনা বর্ণনা করেন।

সূত্র জানিয়েছে, তার জবানবন্দিতে চার/পাঁচজনের নাম জানা গেছে। জবানবন্দিতে ঘটনার পুরো চিত্রটি বেরিয়ে এসেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র জানায়, তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের কাছে ওই সময়কার মোবাইল কথোপথন পুলিশের কব্জায় চলে এসেছে। এখন তদন্তকারীরা জানতে চেষ্টা করছে কারা রসরাজের মোবাইল হ্যাক করেছিল। আশুতোষ দাস নাসিরনগর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নে হরিণবেড় গ্রামের অনুকূল দাস ওরফে মনা দাসের ছেলে।

উল্লেখ্য, গত বছর নাসিরনগরের হরিপুর ইউনিয়নের হরিণবেড় গ্রামের রসরাজের নিজস্ব ফেসবুকের আইডি ব্যবহার করে কাবা শরীফের উপর শিব মূর্তি বসিয়ে একটি ছবি পোস্ট করা হয়। ৩০ অক্টোবর সেখানে হিন্দুদের ১৫টি মন্দিরসহ বেশ কিছু বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ধারাবাহিকভাবে পাঁচ দফায় হিন্দুদের বাড়িতে আগুন দেয়া হয়। সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পাঁচ শতাধিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়। বসানো হয় র‌্যাবের অস্থায়ী ক্যাম্প। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

basic-bank

Be the first to comment on "নাসিরনগরের ঘটনার রহস্য উন্মোচন"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*