নিউজ ডেস্ক : পার্লামেন্ট সম্পর্কে তার যে জ্ঞান ছিল তা অতুলনীয়। পার্লমেন্টের সার্বভৌমত্বে আঘাত হয় এমন কিছু ভুল হলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতিবাদ করতেন।
সংবিধান প্রণয়নের ক্ষেত্রে, সংশোধনের ক্ষেত্রে তিনি তার অভিজ্ঞতার ছাপ রেখে গেছেন।
রবিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ধানমণ্ডির ঝিগাতলায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের বাসায় তার মরদেহ দেখতে গিয়ে এসব কথা বলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন। তিনি বলেন, সুরঞ্জিত এ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমৃত্যু গণতন্ত্রের ধারক বরেণ্য এ নেতা ছিলেন মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রতীক। তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। সুরঞ্জিতের মরদেহ সকাল ৯টার দিকে ধানমণ্ডির ঝিগাতলার নিজ বাসভবনে অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়া হয়। এরপর থেকেই দলীয় নেতাকর্মী, সংসদ সদস্যরা সেখানে উপস্থিত হন।
এদিকে, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য এস এম কামাল হোসেন, আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য সুজিত রায় নন্দীসহ দলের নেতাকর্মীরা সুরঞ্জিত সেনের বাসায় উপস্থিত হয়েছেন। রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার ভোর ৪টা ২৪ মিনিটে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

Be the first to comment on "সংবিধান প্রণয়নে সুরঞ্জিত অভিজ্ঞতার ছাপ রেখে গেছেন : মেনন"