শিরোনাম

কোরবানির পশুর চামড়া দিয়ে কী করে কওমি মাদ্রাসাগুলো?

নিউজ ডেস্ক : ঈদুল আজহায় দেশের বিভিন্নস্থানের কোরবানির পশুর চামড়া অথবা চামড়া বিক্রির অর্থ মাদ্রসায় দান করার আহ্বান জানায় কওমি মাদ্রাসাগুলো। এজন্য বিভিন্নস্থানে পোস্টারও লাগানো হয় মাদ্রসাগুলোর পক্ষ থেকে। এছাড়া, কোরবানির পর মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকরা বিভিন্ন এলাকায় যান চামড়া সংগ্রহে। কী হয় এই চামড়া দিয়ে? এই চামড়া মাদ্রসায় দেওয়ার বিধান কী আছে ইসলাম ধর্মে? এমন প্রশ্নের বিস্তারিত জানিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত আলেমরা।

ইসলাম ধর্মমতে, কোরবানির পশুর চামড়া যিনি কোরবানি দিচ্ছেন তিনি নিজে ব্যবহার করতে পারবেন। তবে পশুর চামড়া বিক্রি করলে বিক্রিত অর্থ দান করতে হবে দুঃস্থদের।

জানা গেছে, কোরবানির সময় দেশের কওমি মাদ্রসাগুলো পশুর চামড়া মাদ্রসায় দান করতে উৎসাহী করে সাধারণ মানুষদের। বিভিন্ন সময় বাড়ি বাড়ি গিয়েও মাদ্রসারা পক্ষ থেকে চামড়া দান করার অনুরোধ করা হয়। মাদ্রসারা ছাত্ররাই সাধারণত ঈদের দিন পশুর চামড়া সংগ্রহ করে মাদ্রসার জন্য।

এ প্রসঙ্গে শোলাকিয়া ঈদগাহের খতিব ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, ‘কোরবানির পশুর চামড়া নিজে ব্যবহার না করলেও বিক্রিত অর্থ দান করতে হবে দুঃস্থদের, যারা যাকাতের অর্থ ভোগ করতে পারবেন। ইসলাম নিয়ম অনুসারে মসজিদ-মাদ্রাসায় কোরবানির চামড়া বা চামড়া বিক্রিত অর্থ দেওয়া জায়েজ নয়। তবে, কোনও মাদ্রসা যদি দুঃস্থদের বিনা খরচে লালন-পালন করে সেই মাদ্রাসার তা দান করা যাবে। সাধারণত আমাদের দেশের কওমি মাদ্রসায় চামড়া সংগ্রহ করা হয় দুঃস্থ শিক্ষার্থীদের লালন পালনের খরচের জন্য। এক্ষেত্রে মাদ্রাসায় চামড়া দান উত্তম, কারণ এক দিকে যেমন দুঃস্থদের দান করা হচ্ছে, অন্যদিকে দুঃস্থ কিছু শিশু শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে।’

জামিয়া কোরানিয়া আরাবিয়া লালবাগ মাদ্রাসার মুহাদ্দেস মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেন, ‘আমাদের মাদ্রসায় চামড়া সংগ্রহ করা হয়। তবে এই চামড়া সংগ্রহ করে বিক্রিত অর্থ শুধু মাত্র দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যয় হয়, অন্য কোনও খাতে তা ব্যয় হয় না। কোরবানির পশুর চামড়া বিক্রিত অর্থ শুধু মাত্র দুঃস্থদের জন্য।’

basic-bank

Be the first to comment on "কোরবানির পশুর চামড়া দিয়ে কী করে কওমি মাদ্রাসাগুলো?"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*