নিউজ ডেস্ক : জেলার বেড়া উপজেলায় চায়না খাতুন (৮) নামে চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলার পেঁচাকোলা নদী থেকে ওই স্কুল ছাত্রীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের ধারণা ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ মনিরুল ইসলাম নামের এক যুবককে আটক করেছে।
বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আহমেদ জানান, রবিবার দুপুরে পেঁচাকোলা গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে এবং স্থানীয় স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী চায়না খাতুন (৮) বাড়ির পাশে যমুনা নদীতে গোসল করতে যায়। এরপর থেকে চায়না খাতুন নিখোঁজ ছিল। সোমবার সকালে নদীর ধারে কাশবনে চায়না খাতুনের কাপড় পড়ে ছিল। পরে স্থানীয়রা নদীতে ভাসমান লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে। ওসি ফিরোজ জানান, নিহতের স্বজনরা লাশটি ডাঙ্গায় তুলে আনার পর চায়নার বলে নিশ্চিত করেন। ওসি ফিরোজ নিহতের বাবা রফিকুল ইসলামের বরাত দিয়ে জানান, শিশু চায়না গোসল করতে নদীতে যাবার সময়ে স্থানীয় বাসিন্দা তিরা মন্ডলের ছেলে মনিরুল ইসলাম তার পিছু নেয়। পরিবারের ধারণা, চায়নাকে মনিরুল ইসলাম ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশটি নদীতে ফেলে দিয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে মনিরুল ইসলামকে আটক করেছে। লাশ পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ময়না তদন্ত হয়েছে। বেড়া থানায় মামলা হয়েছে।
চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা

Be the first to comment on "চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা"