নিউজ ডেস্ক : পর্তুগালের কট্টরপন্থী দল পিএনআর এবং অভিবাসীদের মধ্যে বোঝাপড়ার মধ্যে দিয়ে উত্তাল লিসবনের রাজপথ। অভিবাসন আইন, অবৈধ অভিবাসীদের বৈধতা ও অপেক্ষায় মান থাকা রেসিডেন্ট পারমিটসহ নানাবিধ সমঅধিকারের আন্দোলনের দাবি আদায়ে রাজপথে নেমেছে পর্তুগালের অভিবাসীদের সংগঠনগুলো। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার দুপুর ২টায় বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা মারতিম মনিজ স্কয়ারে শান্তিপূর্ণ বিশাল এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন অভিবাসীরা।
সলিডারিটি ইমিগ্রান্টের ব্যানারে ফাইয়াসকে-কালিকুইসে সেক্টর গিনি বিসাউয়ের এসোসিয়েশন ফেডারেশন, ওয়াচ লাইভ-পরিবেশ সুরক্ষা, হেরিটেজ অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস এসোসিয়েশন, গিরাসোল সলিডারি- রোগীদের জন্য সমর্থন এসোসিয়েশন বায়ুশূন্য কাপু ভার্দে, আফ্রোলিস-সাংস্কৃতিক এসোসিয়েশন, ম্যান্ডেলা রিগ্গী পরিবার-সাংস্কৃতিক এসোসিয়েশন, পর্তুগাল নেপালী বাসিন্দাদের এসোসিয়েশন, অদা-এঙ্গলান্স ডিফেন্স এসোসিয়েশন, ব্রাজিল হাউস লিসবন, প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংগঠন ইপিবি পর্তুগাল,আয়েবা, বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনসহ সাতাশটি দেশের প্রায় ১০ হাজার ইমিগ্রান্ট।
অভিবাসীদের ন্যায্য এই অধিকার আদায়ের গণআন্দোলন যোগ দিয়েছেন পর্তুগাল পার্লামেন্টের সংসদ সদস্য মি. জোসে মানুয়েল পুরেযা ও মিসেস সান্দ্রা কুইনারসহ প্রধান বামপন্থি রাজনৈতিক সংগঠন ব্লক এস কের্দার পিএস, পিসিপি, বিই, এবং পিইভি রাজনৈতিক সংগঠনের হাজারো কর্মী। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলাকালীন পর্তুগালের কট্টরপন্থী দল পিএনআর সদস্যরা অভিবাসীদের বিক্ষোভের উপর আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করে। এ সময় হামলাকারী পিএনআর সদস্যদেরকে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং চারদিকে উওেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরে সলিডারিটি ইমিগ্রান্টে এবং জোসে মানুয়েল পুরেযা নেতৃত্বে অভিবাসীদের বিশাল এক বিক্ষোভ লিসবন শহরের প্রধান সড়ক গুরে সলিডারিটি ইমিগ্রান্টের কার্যলয়ে গিয়ে শেষ হয়। বিক্ষোভ শেষে সলিডারিটি ইমিগ্রান্টের প্রেসিডেন্ট তিমোতেও মাসেদোর বলেন, ইমিগ্রেশন আইনের সংশোধনী, সেই সাথে পর্তুগালে বসবাসরত ২৭টি দেশের প্রায় ৩০ হাজার অবৈধ অভিবাসীদের যতদনি বৈধতা না দেওয়া হবে, ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন চলবে।
সংসদ সদস্য মি. জোসে মানুয়েল পুরেযা বলেন, আগামী ২ ডিসেম্বর ইমিগ্রান্টদের ব্যাপারে আমরা সংসদে আবারও কথা বলব। তিনি আরও বলেন, পর্তুগালের বামপন্থি রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে ইতিমধ্যে কথা হয়েছে এবং অনেকটাই ইতিবাচক। তবে ডানপন্থিদের ব্যাপারে আমরা এখনো নিশ্চিত কিছু বলতে পারিনা, হয়তো ডিসেম্বরে মধ্যে বিস্তারিত জানতে পারব। তাছাড়াও আন্দোলনের সাথে বামপন্থি দলগুলো সম্মতি প্রকাশ করে এর সমাধানের আশ্বাস দেন।
পর্তুগালে অভিবাসন আইনের বিরুদ্ধে রাস্তায় অভিবাসীরা

Be the first to comment on "পর্তুগালে অভিবাসন আইনের বিরুদ্ধে রাস্তায় অভিবাসীরা"