নিউজ ডেস্ক : বিনা বিচারে ১৫ থেকে ১৭ বছর ধরে কারাগারে থাকা চাঁন মিয়া, মকবুল, সেন্টু ও বিল্লালকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত সংবাদ আমলে নিয়ে আজ রবিবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই রুল জারি করেন।
আগামী ৪ ডিসেম্বর আসামিদের হাইকোর্টে হাজির করতে বলা হয়েছে। আদালত এসব আসামির নামে থাকা মামলার নথিপত্রও তলব করেছেন। এই ৪ জনকে নিয়ে স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল টোয়েন্টিফোর-এ গত ১৬ নভেম্বর প্রচারিত একটি প্রতিবেদন আইনজীবী কুমার দেবুল দে হাইকোর্টের নজরে আনলে আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে এই আদেশ দেন।
আসামিদের মধ্যে ঢাকার শ্যামপুর থানার এক হত্যা মামলায় ১৯৯৯ সাল থেকে চাঁন মিয়া কাশিমপুর কারাগারে বন্দি রয়েছেন। গত ১৭ বছরেও চাঁন মিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া হত্যা মামলার কোনো অগ্রগতি নেই। মামলাটি বর্তমান ঢাকার পরিবেশ আদালতে বিচারাধীন। একইভাবে মকবুল রাজধানীর উত্তরা থানার একটি হত্যা মামলায় ২০০০ সাল থেকে কারাগারে আছেন। ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে মকবুলে পক্ষে আইনি লড়াই করারও কেউ ছিলো না।
মতিঝিলের এজিবি কলোনীর সেন্টু কামাল গ্রেপ্তার হন ২০০১ সালে। সবশেষ গত মাসেও তাকে হাজির করা হয়েছিল ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে।কিন্তু এই দীর্ঘ ১৫ বছরে ৫৯ কার্যদিবস কারাগারে হাজির করা হলেও মামলা শেষ হয়নি। মামলা শেষ হয়নি কুমিল্লার বিল্লাল হোসেনেরও। তেজগাঁও থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় তিনি কাশিমপুর কারাগারে ২০০২ সাল থেকে বন্দি রয়েছেন। তার মামলাটিও ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন।

Be the first to comment on "বিনা বিচারে কারাবন্দি ৪ জনের জামিন বিষয়ে রুল"