নিউজ ডেস্ক : “লক্ষ্মীপুরের মেঘনা উপকূলের প্রায় ২০ হাজার নদীভাঙনে গৃহহীন মানুষকে পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন করা হবে। ২০ হাজার লোককে পুনর্বাসন করা খুবই কষ্ট সাধ্য বিষয়। তবু সরকারের সদিচ্ছা রয়েছে চরাঞ্চলের খাস জমি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভূমিহীনদের বরাদ্দ দেওয়ার।”
আজ বুধবার দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরে নদী তীর সংরক্ষণ কাজ পরিদর্শনে এসে এ আশ্বাস দেন পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
মন্ত্রী বলেন, “মেঘনার মতো একটি বড় নদী পরিপূর্ণ ভাঙন রোধ করা কঠিন। তবে যেসব স্থানে স্কুল, কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে সেসব স্থানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাঁধ নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে।” মন্ত্রী রামগতির আলেকজান্ডারে সেনাবাহিনী দিয়ে নির্মিত নদীর তীর সংরক্ষণ বাঁধ পরিদর্শন শেষে কমলনগর ভাঙনকবলিত মাতাব্বরহাট এলাকা পরিদর্শন করেন। পরে বিকেল কমলনগরের হাজিরহাট হামেদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেন তিনি।
ভাঙন পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, লক্ষ্মীপুর ৪ (রামগতি ওকমলনগর) আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল মামুন, লক্ষ্মীপুর ২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের মোহাম্মদ নোমান, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব জাফর আহমদ খান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. জাহাঙ্গীর কবির, জেলা প্রশাসক জিল্লুর রহমান চৌধুরী, রামগতি পৌরসভার মেয়র মেজবাহ উদ্দিন, উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহেদ প্রমুখ।

Be the first to comment on "মেঘনা উপকূলের ২০ হাজার মানুষের পুনর্বাসন হবে : পানিসম্পদমন্ত্রী"