শিরোনাম

একজন সাংসদকে হত্যা মেনে নেওয়া যায় না ॥ প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক : গাইবান্ধার সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে হত্যা কখনও মেনে নেওয়া যায় না।

যারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত যেভাবেই হোক তাদেরকে খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। তাদের বিচার বাংলার মাটিতেই হবেই। এদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। আজ বুধবার সকালে গণভবন থেকে রংপুর বিভাগের ৮ জেলার জনগণের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে মতবিনিময়ের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

ভিডিও কন্সফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও গাইবান্ধা জেলার জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এমপি লিটন হত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সংসদ সদস্য লিটন সব সময় এলাকায় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করেছেন। জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে। এলাকার মানুষের শান্তি নিশ্চিত করতে কাজ করেছে। জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। এখানে জঙ্গিবাদের ঠাঁই নেই। কে ভালো, কে মন্দ তা বিচার করবে আল্লাহ। মানুষ খুন করে কেউ বেহেশতে যেতে পারবে না। প্রকৃত শিক্ষা পেতে কেউ বিপথে যাবে না। সবাইকে বলব কোনোভাবেই যেনও জঙ্গিবাদ দানা বাঁধতে না পারে।

তিনি আরও বলেন, ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে এদেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে পদক্ষেপ নেই। আমরা বিভিন্ন ভাতা চালু করেছি। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে খাদ্য নিরাপত্তাও নিশ্চিত করেছি। চিকিৎসা সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক তৈরি করি। এলাকা ধরে ধরে নিরক্ষরতা মুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যখনই ক্ষমতায় এসেছি তখনই লক্ষ্য ছিলো উন্নয়ন করা। আমরাই রংপুরকে বিভাগ করি। মেয়েদের জন্য আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় করার কথা ছিল পায়রা বন্দরে। কিন্তু সেখানে শিক্ষার্থী পাওয়া কঠিন। তাই রংপুরে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ছাত্রী হলের জন্য একনেকে ৬০০ আসনের প্রস্তাব এলে আমি ১ হাজার করে দেই। জানতাম ছাত্রী সংখ্যা বাড়বে।

 

basic-bank

Be the first to comment on "একজন সাংসদকে হত্যা মেনে নেওয়া যায় না ॥ প্রধানমন্ত্রী"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*