জামায়াতের হরতালের প্রভাব পড়েনি রাজধানীতে

নিউজ ডেস্ক :  মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মীর কাসেম আলীর ফাঁসির প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর ডাকা হরতালের প্রভাব রাজধানীতে পড়েনি। জামায়াত বা তাদের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কোনো পিকেটিং বা কর্মসূচি নেই।
হরতালবিরোধীদের কর্মকাণ্ডও সেভাবে নেই। জনজীবন স্বাভাবিক। গত শনিবার রাতে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকর হয়। ওই দিনই এর প্রতিবাদে জামায়াত সারা দেশে আধাবেলা হরতাল ডাকে। আজ সোমবার বেলা ২টায় এই হরতাল কর্মসূচি শেষ হবে। রাজধানীর মগবাজার, মালিবাগ, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, শাহবাগ, গুলিস্তান এলাকায় হরতালের তেমন প্রভাব লক্ষ করা যায়নি। বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে সামনে দলের নেতাকর্মীদের তেমন ভিড় ছিল না।
সকালে রাজধানীর সড়কগুলোতে অন্যান্য দিনের মতোই যান চলাচল করতে দেখা গেছে। বেশির ভাগ স্কুল-কলেজও খোলা। বড় শপিং মলগুলোও স্বাভাবিক সময়ের মতোই খোলা থাকবে বলে সেখানকার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বা এর আশপাশের এলাকায় হরতালবিরোধী বা হরতালের সমর্থনে কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ পরীক্ষা, ক্লাস চলছে। দূরপাল্লার লঞ্চ, বাস ও ট্রেনের সময়সূচির কোনো বদল হয়নি। সময়মতোই এগুলো গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করেছে।
পল্টন মোড়ের ফুটপাতের এক কাপড় ব্যবসায়ী বললেন, সকাল সকাল দোকান খুলতে হয়। কেননা, এই এলাকায় অফিসে লোকজন সকালে আসেন। ঢাকার বাইরে থেকেও লোকজন আসে। হরতাল প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, শুনেছি, আজ হরতাল। অনেক দিন ধরে দেখছি, মানুষ এখন আর হরতাল মানে না। তবে হরতালে প্রাইভেট কার অন্য সময়ের তুলনায় কম থাকে বলে তিনি মনে করেন। আরও বললেন, ঈদের আগেই তাঁদের বিক্রি বেশি। এ কারণে হরতালে দোকান বন্ধ রাখা যাবে না।

Print Friendly, PDF & Email
basic-bank

Be the first to comment on "জামায়াতের হরতালের প্রভাব পড়েনি রাজধানীতে"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*