নিউজ ডেস্ক : আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএনও) কনভেনশন অনুসরণ করেই ২০১৩ সালে শ্রম আইন যুগোপযোগী করে সংশোধন করা হয়েছে উল্লেখ করে নতুন করে এ আইন সংশোধনের কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু। বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে শ্রম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সফররত ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্লামেন্টের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
চুন্নু জানান, ‘২০১৮ সালের পর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প খাতে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের কোনো সহযোগিতার দরকার হবে না। এই সময়ের মধ্যে আমরা নিজেরাই দক্ষ হয়ে ওঠবো।’ অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স বাংলাদেশে থাকার কোনো প্রস্তাব দিয়েছে কি না -এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘২০১৮ সালের পর তাদের আর দরকার হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছি। তাই তারা সময় বাড়ানোর কোনো প্রস্তাব দেননি।’
তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের ইপিজেডগুলোর সব কার্যক্রম প্রাধানমন্ত্রী দফতর থেকে পরিচালিত হয়। তারপরও সেখানে ট্রেড ইউনিয়ন নামে নয় অন্য নামে শ্রমিকদের কল্যাণে কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। এ মুহূর্তে তৈরি পোশাক শিল্পে ৫৩২টি কারখানায় শ্রমিকদের কল্যাণে ট্রেড ইউনিয়নের আদলে সংগঠনের কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে। সারাদেশে এর সংখ্যা সাড়ে সাত হাজারেরও বেশি।’ ২০১৩ সালের রানা প্লাজা ধসের ঘটনার পর চারশটি ট্রেড ইউনিয়নের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Be the first to comment on "শ্রম আইন সংশোধনের প্রয়োজন নেই : শ্রম প্রতিমন্ত্রী"