নিউজ ডেস্ক : যৌন হয়রানি বিষয়ে আলোচনায় আসলেন হলিউড সেলিব্রিটি শ্যারন স্টোন। কলেজ ক্যাম্পাসে যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছেন তিনি।
কলেজে যে নারীরা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তাদের প্রতি আবেগঘন শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন তিনি। ‘বেসিক ইন্সটিঙ্কট’ তারকা নিপীড়নের শিকার এক নারীর কথা বলেন যিনি গত বছর স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাঁতারুর শ্লীলতাহানির শিকার হয়ে জ্ঞান হারিয়েছিলেন।
স্টোন সান্তা ক্লারা ইউনিভার্সিটির সিম্পোজিয়ামের মঞ্চে উঠে তার বক্তব্য রাখেন। কথা বলতে বলতে তার চোখ বেয়ে পানি নেমে আসে। তিনি ২৫ মিনিট ধরে নিপীড়নকারীর প্রতি লেখা ওই নারীর চিঠি পড়ে শোনান।
পরে এই চিঠিকে তিনি বিস্ময়কর ক্ষমতাশালী বলে মন্তব্য করেন। এই চিঠি পড়ার সময় সবার হৃদয়ের গভীর আঘাত লাগবে বলে মনে করেন তারকা।
নির্যাতনের শিকার ওই নারীর চিঠি সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। অসংখ্য মানুষ ওই সাঁতারুর সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন। তারা নির্যাতনকারী টার্নারের শাস্তি দাবি করেন। ক্যাম্পাসে ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। পরে টার্নার তার ছয় মাসের জেলের অর্ধেক খেটে বেরিয়ে আসেন।
ওই নারীর পরিচয় মানুষের সামনে প্রকাশ করা হয়নি। তার চিঠিকে ‘এমিলি ডো লেটার’ বলে ডাকা হচ্ছে।
শ্যারন বলেন, এমন অনেক এমিলি ডো আছেন। তাদের কথা মানুষ কখনো জানতে পারেননি। আমাদের এই বিষয়ে দৃষ্টিভঙ্গী ও আইনিব্যবস্থা বদলানো উচিত। অনেকের মতে, ওই নারী ও টার্নারের কেসটি খুব বাজেভাবে শেষ করা হয়েছে। এখানে অপরাধী শাস্তি পাননি। এটি এক মারাত্মক পরিস্থিতির দিকে দৃষ্টিপাত করে। ধর্ষিতার অবস্থা এবং সমাজের অবস্থা। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গীর অবস্থাও শোচনীয়। অপরাধীদের মনে ধারণা জন্মেছে যে, যৌন নির্যাতনে তেমন শাস্তি মেলে না। এ ছাড়া এতে কারো কিছু যায় আসেও না। সূত্র : ফক্স নিউজ
কলেজ ক্যাম্পাসে ধর্ষণ আর শ্যারন স্টোনের কথা

Be the first to comment on "কলেজ ক্যাম্পাসে ধর্ষণ আর শ্যারন স্টোনের কথা"