শিরোনাম

কেন ভেঙে গেল কিম-যুবরাজের প্রেম?

নিউজ ডেস্ক : আজ বহু প্রতীক্ষিত বিয়ে করতে চলেছেন যুবরাজ সিং। পাত্রী হ্যাজেল কিচ। বিগত একবছর ধরে দেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই বিবাহ নিয়ে আলোচনা চলেছে। তবে হ্যাজ়েল কিচ প্রথম নন, যুবরাজের জীবনে আরও এক অভিনেত্রী এসেছিলেন। ‘মোহব্বতে’ সিনেমাখ্যাত তারকা কিম শর্মা। কিম-যুবরাজের সম্পর্ক নিয়েও কম জলঘোলা হয়নি। কিন্তু, সেই সম্পর্ক বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি। কিন্তু, কেন ভেঙে গেল এই সম্পর্ক ? কারণটা শুনলে আপনিও অবাক হবেন।

এই প্রসঙ্গে কিম শর্মাকে জিজ্ঞাসা করে হলে, তিনি গোটা বিষয়টি এড়িয়ে যান। কিম বলেন, আমাদের মধ্যে এখন আর কোনও সম্পর্ক নেই। এটাই সত্যি। তবে কেন ভেঙে গেল, তা আমি বলতে পারব না। কারণ এই গোপন বিষয়গুলো আমি জনসমক্ষে আলোচনা করতে চাই না। তবে আমাদের সম্পর্কে কিছুই ঠিকঠাক হচ্ছিল না। পাশাপাশি তিনি একথাও বলেছেন, এমনটা মনে করবেন না যে আমি কিছু লুকানোর চেষ্টা করছি। এটা পোশাক পরিধান করা কিংবা খুলে ফেলার মতো। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে, তাহলে আপনি পরবেন। আর পরিধান করার পর খারাপ লাগলে, আপনি খুলে ফেলবেন।

তবে বিশেষ সূত্রের খবর অনুসারে, এই সম্পর্কে যুবরাজের মা শবনম সিং সম্মতি দেননি। কারণ, কিম নাকি বড্ড খোলামেলা পোশাক পরতে ভালোবাসেন। মায়ের সম্মতি না পেয়ে যুবরাজও পিছিয়ে এসেছিলেন। প্রসঙ্গত, যুবরাজ সিং এবং কিম শর্মার প্রেম টানা চারবছর ধরে চলেছিল। তবে যুবরাজের পরিবারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। বলা হয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে শবনম সিংয়ের কোনও যোগাযোগ নেই। এটা যুবরাজের একার সিদ্ধান্ত ছিল। লোকজন সবসময় বলেন যে যুবরাজ নাকি সবসময় মায়ের কথাই শুনে চলেন। শবনমই নাকি যুবরাজের জীবনের সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। তবে একথা একেবারেই সত্যি নয়। যুবরাজ মায়ের খুব কাছের সন্তান হতে পারেন, কিন্তু তিনি নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত একাই গ্রহণ করেন।

এই পরিপ্রেক্ষিতে আবার শবনম সিং জানিয়েছেন, যুবি এবং কিমের সম্পর্কের মধ্যে সংবাদমাধ্যমই আমাকে নিয়ে এসেছে। ওরা দুজনই সাবালক। জীবনের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে পারে। আপনারাই বলুন, আজকালকার ছেলেমেয়েরা বাবা-মায়ের থেকে কোনও মতামত গ্রহণ করে ? আমার ছেলে আমাকে খুব সম্মান দেয়। তার মানে এটা নয় যে ও কাকে বিয়ে করবে, সেটার জন্য আমার মতামতের অপেক্ষা করবে।

basic-bank

Be the first to comment on "কেন ভেঙে গেল কিম-যুবরাজের প্রেম?"

Leave a comment

Your email address will not be published.


*