নিউজ ডেস্ক : বিশ্বব্যাপী ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নারীদের নিয়োগের ব্যাপারে নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা ছিল বা এখনও রয়েছে। এমন ঝুঁকিপূর্ণ পেশার একটি হলো ফায়ার সার্ভিস কর্মীর কাজ। বাংলাদেশের ফায়ার সার্ভিসে এমন নারীর সংখ্যা খুবই কম। ঢাকায় লালবাগ ফায়ার স্টেশনের পরিদর্শক নাসরিন সুলতানা তাদের একজন। তিনি এই বাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন টেলিফোন অপারেটর হিসেবে, ১৯৮৪ সালে। আর এখন পরিদর্শক হিসেবে সরাসরি অগ্নিনির্বাপণ কাজে নেতৃত্ব দেন মিস সুলতানা।
তিনি জানান, বড় বোনের উৎসাহে তিনি ফায়ার সার্ভিসে যোগ দেন। তবে পরিবারেরও উৎসাহ পেয়েছেন তিনি। নারী হিসেবে এ রকম ঝুঁকিপূর্ণ কার্যক্রমে অংশ নিলেও খুব একটা প্রতিবন্ধকতা বা সমস্যার মুখে পড়তে হয়নি বলে জানালেন নাসরিন সুলতানা। সারসরি আগুন নেভানোর কাজ করেন এখন, বড় বড় কয়েকটি দুর্ঘটনায় আগুন নেভানো ও উদ্ধারকাজে ছিলেন তিনি। এ ছাড়া সংস্থার অগ্নি প্রতিরোধ মহড়া প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন মিস সুলতানা।
নারীদের জন্য কঠিন একটা পেশা। শক্তি-সাহস অনেক বেশি প্রয়োজন। চ্যালেঞ্জিং পেশা হলেও এখানে কিন্তু ছেলে-মেয়ে আলাদাভাবে দেখার কিছু নেই- বলছিলেন তিনি। সম্প্রতি মেয়েদের জন্য ফায়ার সার্ভিসে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। নাসরিন সুলতানা মনে করেন এই পেশায় আরও বেশি সংখ্যায় নারী নিয়োগ দেওয়া উচিত। তার মতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে যদি কোনো নারী থাকে- সে নারী যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির পাশে থাকবে, যেভাবে তারা দায়িত্ব নেবে, একজন পুরুষ কিন্তু সেভাবে নিতে পারবে না।

Be the first to comment on "‘ক্ষতিগ্রস্তের পাশে নারী যেভাবে থাকে, পুরুষ সেভাবে থাকতে পারে না’"