নিউজ ডেস্ক : দুজনই দলের স্বীকৃত বোলার। পেস আক্রমণে যথাযথ সাফল্য পেয়েছেন।
এবার দলের বিপদে ব্যাট হাতেও জ্বলে উঠলেন দুই পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বি এবং তাসকিন আহমেদ। দুজনই খেললেন টেস্টে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। নবম উইকেটে দুজন দলীয় সর্বোচ্চ ৫১ রানের জুটি গড়লেন। এই জুটিতে ভর করেই ১০৮ রানের লিড নিয়ে অল আউট হলো বাংলাদেশ।
তাসকিন ৩০ বলে ১ চার এবং ২ ছক্কায় ৩৩ রান করেন। এটা তার ক্যারিয়ার সেরা এবং আজ চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর। তাসকিনের এই কার্যকরী ইনিংসটি থামে ট্রেন্ট বোল্টের বলে বোল্ড হয়ে। অপর বোলার কামরুলও কম যাননি। তিনি ২৯ বলে ৩ চার এবং ১ ছক্কায় করেছেন অপরাজিত ২৫ রান। তাসকিনের বিদায়ের পর রুবেল হোসেন তাকে বেশিক্ষণ সঙ্গ দিতে পারেননি। রুবেল ৬ বলে ১ বাউন্ডারিতে ৭ রান করে টিম সাউদির তৃতীয় শিকারে পরিণত হন।
ক্রাইস্টচার্চে টেস্ট ড্র করতে হলেও বাংলাদেশকে আগামীকাল পঞ্চম দিনের দুটি সেশন খেলতে হতো। কিন্ত চতুর্থ দিনেই আউট হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমে গেলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। তামিম থেকে শুরু করে সাব্বির পর্যন্ত কেউ দায়িত্ব নিতে পারেননি।
দলীয় ১৭ রানে টিম সাউদিকে উইকেট উপহার দেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল (৮)। এরপর মাহমুদ উল্লাহ এবং সৌম্য সরকার জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যক্তিগত ৩৬ রানে জিত রাভালের দারুণ এক ক্যাচে ফিরে যান সৌম্য। তার জায়গায় সাকিব (৮) এসেই শট খেলতে শুরু করেন। দুইবার ক্যাচ দিয়ে বেঁচে গিয়েও থিতু হওয়ার চেষ্টা করেননি তিনি। তাই ৫ বল পরই বাজে শট খেলে সাউদির শিকারে পরিণত হন।
সাকিবের বিদায়ের পর ‘সর্বোচ্চ’ ৩৮ রান করে বিদায় নেন মাহমুদ উল্লাহ। আউট হওয়ার মিছিলে যোগ দেন শান্ত (১২), সাব্বির (০) এবং নুরুল হাসান (০)। সাব্বির ১১টি বল খেলে খুব দৃষ্টিকটুভাবে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। ‘অল-রাউন্ডার’ মেহেদী মিরাজ ফিরেছেন ৪ রান করে। শেষে দুই বোলারের অর্ধশত রানের জুটিতে ভর করে ১৭৩ রানে থামে বাংলাদেশ।

Be the first to comment on "তাসকিন-কামরুলের ব্যাটে বাংলাদেশ ১৭৩"